নওগাঁর মান্দা উপজেলায় চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে একটি ক্বওমী মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রফিকুল ইসলাম (২৫)। তিনি মান্দা সদর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মাদ্রাসার ক্বারী শিক্ষক সাব্বির হোসেন জানান, রাত সোয়া দুইটার দিকে তিনি ছাত্র পারভেজকে সঙ্গে নিয়ে সাহরির রান্নার প্রস্তুতির জন্য রান্নাঘরের দিকে যান। এ সময় রান্নাঘর থেকে অচেনা এক যুবক বের হয়ে আসতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।
তিনি আরও বলেন, পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয় এবং গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় হইচই শুনে মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আসলাম হোসেন বলেন, ‘আমি মাদ্রাসার ভেতরের মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেছি। অথচ ভেতরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি।’
মাদ্রাসার মহাতামিম মাসুদুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কিছু সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম মাসুদ রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রফিকুল ইসলামের হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্তসহ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
নিহত যুবকের নাম রফিকুল ইসলাম (২৫)। তিনি মান্দা সদর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মাদ্রাসার ক্বারী শিক্ষক সাব্বির হোসেন জানান, রাত সোয়া দুইটার দিকে তিনি ছাত্র পারভেজকে সঙ্গে নিয়ে সাহরির রান্নার প্রস্তুতির জন্য রান্নাঘরের দিকে যান। এ সময় রান্নাঘর থেকে অচেনা এক যুবক বের হয়ে আসতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।
তিনি আরও বলেন, পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয় এবং গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় হইচই শুনে মাদ্রাসার আরও কয়েকজন শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আসলাম হোসেন বলেন, ‘আমি মাদ্রাসার ভেতরের মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেছি। অথচ ভেতরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি।’
মাদ্রাসার মহাতামিম মাসুদুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কিছু সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম মাসুদ রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রফিকুল ইসলামের হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্তসহ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।