সন্তানধারণে বহু জটিলতার মুখে পড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। তাই আজও সর্বক্ষণ কন্যা মালতী মেরিকে নিয়ে আতঙ্কে থাকেন তিনি। এক মুহূর্ত চোখের আড়াল করতে চান না।
কিছু দিন আগেই প্রিয়ঙ্কা ও নিক দু’জনেই এক সাক্ষাৎকারে জানান, মালতীর জন্মের সময় নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। প্রাণ সংশয়ও ছিল তার। সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম হয়েছিল মালতী মেরির। তাই নিজের কন্যাকে ‘মির্যাকল বেবি’ বলে ডাকেন প্রিয়ঙ্কা।
অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমাদের কন্যা আমাদের কাছে খুব বেশিই প্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত। কারণ সন্তানধারণের সময় অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলাম। ওর জন্মের পর আমার জীবনের সব জটিলতা থেমে গিয়েছে।”
জন্মের পরে মালতীকে দীর্ঘ দিন এনআইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল। এক বেলা প্রিয়ঙ্কা, আর এক বেলা নিক হাসপাতালে গিয়ে থাকতেন। সেই অভ্যাস এখনও রয়ে গিয়েছে। অভিনেত্রী বলেছেন, “এখনও অনবরত ওকে নিয়ে আমার ভয় হয়। ও যখন আমার কাছে থাকে না, স্কুলে থাকে, অথবা আমি যখন অন্য দেশে থাকি, তখন খুব চিন্তা হয়। মনে হয় আমার শরীর থেকে হৃদয়টা বেরিয়ে আসছে। আমার জীবনের চাওয়াপাওয়ার সর্বাগ্রে এখন ও। সবকিছুর শুরু ও শেষ এখন ওকে দিয়েই হয়।”
সন্তানধারণে সমস্যা নিয়ে পুরনো এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। কেন সারোগেসির মাধ্যমে মা হচ্ছেন, তা-ও জানিয়েছিলেন তিনি। প্রিয়ঙ্কা বলেছিলেন, “সন্তানধারণে আমার কিছু জটিলতা ছিল। এই পদক্ষেপ (সারোগেসি) করতেই হত। আমি কৃতজ্ঞ, আমার এই পদ্ধতিতে মা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।”
কিছু দিন আগেই প্রিয়ঙ্কা ও নিক দু’জনেই এক সাক্ষাৎকারে জানান, মালতীর জন্মের সময় নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। প্রাণ সংশয়ও ছিল তার। সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম হয়েছিল মালতী মেরির। তাই নিজের কন্যাকে ‘মির্যাকল বেবি’ বলে ডাকেন প্রিয়ঙ্কা।
অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমাদের কন্যা আমাদের কাছে খুব বেশিই প্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত। কারণ সন্তানধারণের সময় অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলাম। ওর জন্মের পর আমার জীবনের সব জটিলতা থেমে গিয়েছে।”
জন্মের পরে মালতীকে দীর্ঘ দিন এনআইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল। এক বেলা প্রিয়ঙ্কা, আর এক বেলা নিক হাসপাতালে গিয়ে থাকতেন। সেই অভ্যাস এখনও রয়ে গিয়েছে। অভিনেত্রী বলেছেন, “এখনও অনবরত ওকে নিয়ে আমার ভয় হয়। ও যখন আমার কাছে থাকে না, স্কুলে থাকে, অথবা আমি যখন অন্য দেশে থাকি, তখন খুব চিন্তা হয়। মনে হয় আমার শরীর থেকে হৃদয়টা বেরিয়ে আসছে। আমার জীবনের চাওয়াপাওয়ার সর্বাগ্রে এখন ও। সবকিছুর শুরু ও শেষ এখন ওকে দিয়েই হয়।”
সন্তানধারণে সমস্যা নিয়ে পুরনো এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। কেন সারোগেসির মাধ্যমে মা হচ্ছেন, তা-ও জানিয়েছিলেন তিনি। প্রিয়ঙ্কা বলেছিলেন, “সন্তানধারণে আমার কিছু জটিলতা ছিল। এই পদক্ষেপ (সারোগেসি) করতেই হত। আমি কৃতজ্ঞ, আমার এই পদ্ধতিতে মা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।”