রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়–এর (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক তার বিরুদ্ধে ‘প্রকল্পের ৯ শতাংশ ঘুষ চাওয়ার’ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করেছেন। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য স্পষ্টভাবে জানান, অভিযোগের কোনো বাস্তব বা নৈতিক ভিত্তি নেই। তার ভাষ্য, গণমাধ্যমে অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘জেনিথ কর্পোরেশন’ ও ‘তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ’-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এই দুই প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রকল্পের দরপত্র বা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি। “যেখানে প্রতিষ্ঠানই টেন্ডারে অংশ নেয়নি, সেখানে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ যে সাজানো ও হাস্যকর, তা সহজেই বোঝা যায়, বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য আরও অভিযোগ করেন, অপপ্রচারের নেপথ্যে রয়েছেন ‘জেনিথ কর্পোরেশন’-এর মালিক আতাউর রহমান টিপু। তার দাবি, ওই ঠিকাদার দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ও বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) উপেক্ষা করে টেন্ডারের শর্ত (টিডিএস) নিজের অনুকূলে সাজাতে চাপ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
উপাচার্যের দাবি, গত ২৪ ডিসেম্বর আতাউর রহমান টিপু সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা ও ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে শর্ত শিথিল না করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘এম জামাল কোং’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান একই উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিল। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি ব্যাখ্যা ও স্বচ্ছতা পর্যালোচনা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে বলে দাবি করেন উপাচার্য।
উপাচার্যের অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল বারবার বাধা দিয়েও ব্যর্থ হয়ে এখন তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য তাকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানো এবং অবৈধভাবে ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেওয়া।
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাস্তবায়নে প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো চাপ বা হুমকিতে নতি স্বীকার করা হবে না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি সত্য উদঘাটনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপাচার্য স্পষ্টভাবে জানান, অভিযোগের কোনো বাস্তব বা নৈতিক ভিত্তি নেই। তার ভাষ্য, গণমাধ্যমে অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘জেনিথ কর্পোরেশন’ ও ‘তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ’-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এই দুই প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রকল্পের দরপত্র বা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি। “যেখানে প্রতিষ্ঠানই টেন্ডারে অংশ নেয়নি, সেখানে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ যে সাজানো ও হাস্যকর, তা সহজেই বোঝা যায়, বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য আরও অভিযোগ করেন, অপপ্রচারের নেপথ্যে রয়েছেন ‘জেনিথ কর্পোরেশন’-এর মালিক আতাউর রহমান টিপু। তার দাবি, ওই ঠিকাদার দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ও বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) উপেক্ষা করে টেন্ডারের শর্ত (টিডিএস) নিজের অনুকূলে সাজাতে চাপ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
উপাচার্যের দাবি, গত ২৪ ডিসেম্বর আতাউর রহমান টিপু সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা ও ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে শর্ত শিথিল না করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘এম জামাল কোং’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান একই উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিল। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি ব্যাখ্যা ও স্বচ্ছতা পর্যালোচনা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে বলে দাবি করেন উপাচার্য।
উপাচার্যের অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল বারবার বাধা দিয়েও ব্যর্থ হয়ে এখন তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য তাকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানো এবং অবৈধভাবে ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেওয়া।
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাস্তবায়নে প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো চাপ বা হুমকিতে নতি স্বীকার করা হবে না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি সত্য উদঘাটনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।