বছরের শুরুতে অরিজিৎ সিংহ ঘোষণা করেছিলেন, তিনি আর ছবিতে প্লেব্যাক গাইবেন না। অনুরাগীরা চমকে গিয়েছিলেন সেই ঘোষণায়। এ বার বড় সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রেয়া ঘোষালও। একটি নির্দিষ্ট ধরনের গান তিনি আর গাইবেন না, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।
‘মেরে ঢোলনা’ থেকে ‘চিকনি চামেলি’— নানা ধরনের গান গেয়েছেন শ্রেয়া। প্রতিটি গানেই তিনি অনুরাগীদের মুগ্ধ করেছেন। কিন্তু ভবিষ্যতে তিনি আর ‘চিকনি চামেলি’র মতো গান গাইবেন না। ক্যাটরিনা কইফের কণ্ঠে ‘চিকনি চামেলি’ গেয়ে কোনও অস্বস্তি হয়নি তাঁর। কিন্তু এ বার থেকে আরও সতর্ক হয়ে গান নির্বাচন করবেন তিনি, জানিয়েছেন এমনটাই।
‘চিকনি চামেলি’ গানটি জনপ্রিয় হওয়ার পরে তাঁর কাছে এমন বহু গানের প্রস্তাব এসেছিল, যেগুলিতে মহিলাদের ‘অবজেক্টিফাই’ করা হয়েছে বলে তাঁর মনে হয়েছিল। অর্থাৎ এমন গান, যার কথায় মহিলাদের অসম্মান হয় বলে মনে হয়েছে তাঁর। সেই গানগুলি সব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। শ্রেয়ার এক গীতিকার বন্ধু নাকি এমন একটি গানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যেখানে একটি পঙ্ক্তি ছিল, ‘আমাকে চিকেন বানিয়ে খেয়ে নাও’। গানের এই কথা শুনেই প্রত্যাখ্যান করে দেন শ্রেয়া।
‘চিকনি চামেলি’ নিয়ে শ্রেয়া বলেন, “এটা শুধুই মজার একটা গান নয়। এর মধ্যে শিল্পের ছোঁয়াও ছিল। তবে কিছুটা ‘সাজেস্টিভ’ও ছিল। সেই সময়ে অবশ্য আমি বুঝতাম না, আমি কী গাইছি। কিছু পঙ্ক্তির সঠিক অর্থ বোঝার মতো পরিণতিবোধও আমার ছিল না।” তাই এখন তিনি সচেতন হয়েছেন। কারণ একটি গান সফল হলে মঞ্চেও তা গাইতে হবে। ‘আপত্তিকর’ কথা থাকলে শিশুদের সামনে সেই গান গাইতে অস্বস্তি হয় বলেও জানান গায়িকা।
যদিও ‘চিকনি চামেলি’ মঞ্চে গান তিনি। এই প্রসঙ্গে শ্রেয়া বলেন, “হ্যাঁ, আমি গেয়েছি। আমার গানটা ভাল লেগেছিল। তবে এই ধরনের গান আমি আর রেকর্ড করব না।”
‘মেরে ঢোলনা’ থেকে ‘চিকনি চামেলি’— নানা ধরনের গান গেয়েছেন শ্রেয়া। প্রতিটি গানেই তিনি অনুরাগীদের মুগ্ধ করেছেন। কিন্তু ভবিষ্যতে তিনি আর ‘চিকনি চামেলি’র মতো গান গাইবেন না। ক্যাটরিনা কইফের কণ্ঠে ‘চিকনি চামেলি’ গেয়ে কোনও অস্বস্তি হয়নি তাঁর। কিন্তু এ বার থেকে আরও সতর্ক হয়ে গান নির্বাচন করবেন তিনি, জানিয়েছেন এমনটাই।
‘চিকনি চামেলি’ গানটি জনপ্রিয় হওয়ার পরে তাঁর কাছে এমন বহু গানের প্রস্তাব এসেছিল, যেগুলিতে মহিলাদের ‘অবজেক্টিফাই’ করা হয়েছে বলে তাঁর মনে হয়েছিল। অর্থাৎ এমন গান, যার কথায় মহিলাদের অসম্মান হয় বলে মনে হয়েছে তাঁর। সেই গানগুলি সব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। শ্রেয়ার এক গীতিকার বন্ধু নাকি এমন একটি গানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যেখানে একটি পঙ্ক্তি ছিল, ‘আমাকে চিকেন বানিয়ে খেয়ে নাও’। গানের এই কথা শুনেই প্রত্যাখ্যান করে দেন শ্রেয়া।
‘চিকনি চামেলি’ নিয়ে শ্রেয়া বলেন, “এটা শুধুই মজার একটা গান নয়। এর মধ্যে শিল্পের ছোঁয়াও ছিল। তবে কিছুটা ‘সাজেস্টিভ’ও ছিল। সেই সময়ে অবশ্য আমি বুঝতাম না, আমি কী গাইছি। কিছু পঙ্ক্তির সঠিক অর্থ বোঝার মতো পরিণতিবোধও আমার ছিল না।” তাই এখন তিনি সচেতন হয়েছেন। কারণ একটি গান সফল হলে মঞ্চেও তা গাইতে হবে। ‘আপত্তিকর’ কথা থাকলে শিশুদের সামনে সেই গান গাইতে অস্বস্তি হয় বলেও জানান গায়িকা।
যদিও ‘চিকনি চামেলি’ মঞ্চে গান তিনি। এই প্রসঙ্গে শ্রেয়া বলেন, “হ্যাঁ, আমি গেয়েছি। আমার গানটা ভাল লেগেছিল। তবে এই ধরনের গান আমি আর রেকর্ড করব না।”