ধর্ষন যদিও শালিস যোগ্য অপরাধ এরপরেও ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নেকমরদ কুমোরগঞ্জ এলাকায় স্থানীয় মাতব্বরা গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিএনপি’র নেতা গোলাম রসুলের বাসায় বসে বিধবার ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করেছে ৩ লক্ষ ১০হাজার টাকা।
জানাযায়, গত সোমবার রাতে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে ছেলের হাতে মা আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনিয়ে ঐ এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পরদিন বিধবা মহিলার ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার দিন রাত ১০দিকে নেকমরদ ইউনিয়নের করনাইট কুমোরগঞ্জ গ্রামে বিধবা মহিলা বাড়িতে একাই ছিল। এ সুবাদে একই এলাকার মসলিম উদ্দীনের পুত্র রাজু ইসলাম (২৮) নামে এক যুবক অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে বিধবা মহিলার ছেলে আসিক হাতে আটক করে। গোলাম রসুলের বাসায় বসে নেকমরদ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ ডা.আব্দুস সালামের ভাতিজা সোহাগ,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মাষ্টার, যুবলীগ নেতা রাফসান জানি সানিসহ ১০ জনের একটি শালিস টিম বিধবা মহিলার ইজ্জতের মূ্ল্য নির্ধারণ করেন ৩লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রাজুর ভাবি বলেন,আমার দেবরকে ঐ মহিলা ডেকে নিয়ে গেছিলো ওদের বাসায় পরে শুনতে পাচ্ছি এসব কথা। আজকে শালিসের মাধ্যমে ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মিমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। বিধবা মহিলার ছেলে আসিক বলেন, আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি ১ সপ্তাহ ধরে বাইরে আছি। লোকমুখে অনেক কথা শুনতেছি বিশ্বাস করিনি। গতকালকে রাতে আমার মাকে এবং রাজুকে আমি নিজ হাতে নাতে অনৈতিক কাজ করতে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করেছি আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে। এলাকার লোকজন সকলে মিলে শুনলাম ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মিমাংসা করে দিয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আমরা পেয়েছি ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।
এপ্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ঠ্য ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, দু’পক্ষের লোকজন মিলে আপোষ করা হয়েছে। আমি একাই করিনি স্থানীয় বিএনপি’র নেতারা ও ছিল। এবিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মানিকের সাথে কথা বলেন।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল বারি বলেন, ৯৯৯এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়েছিল আমি জিডিতে নোট দিয়েছি। বাদী পক্ষ মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানাযায়, গত সোমবার রাতে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে ছেলের হাতে মা আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনিয়ে ঐ এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পরদিন বিধবা মহিলার ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার দিন রাত ১০দিকে নেকমরদ ইউনিয়নের করনাইট কুমোরগঞ্জ গ্রামে বিধবা মহিলা বাড়িতে একাই ছিল। এ সুবাদে একই এলাকার মসলিম উদ্দীনের পুত্র রাজু ইসলাম (২৮) নামে এক যুবক অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে বিধবা মহিলার ছেলে আসিক হাতে আটক করে। গোলাম রসুলের বাসায় বসে নেকমরদ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ ডা.আব্দুস সালামের ভাতিজা সোহাগ,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মাষ্টার, যুবলীগ নেতা রাফসান জানি সানিসহ ১০ জনের একটি শালিস টিম বিধবা মহিলার ইজ্জতের মূ্ল্য নির্ধারণ করেন ৩লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রাজুর ভাবি বলেন,আমার দেবরকে ঐ মহিলা ডেকে নিয়ে গেছিলো ওদের বাসায় পরে শুনতে পাচ্ছি এসব কথা। আজকে শালিসের মাধ্যমে ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মিমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। বিধবা মহিলার ছেলে আসিক বলেন, আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি ১ সপ্তাহ ধরে বাইরে আছি। লোকমুখে অনেক কথা শুনতেছি বিশ্বাস করিনি। গতকালকে রাতে আমার মাকে এবং রাজুকে আমি নিজ হাতে নাতে অনৈতিক কাজ করতে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করেছি আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে। এলাকার লোকজন সকলে মিলে শুনলাম ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মিমাংসা করে দিয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আমরা পেয়েছি ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।
এপ্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ঠ্য ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, দু’পক্ষের লোকজন মিলে আপোষ করা হয়েছে। আমি একাই করিনি স্থানীয় বিএনপি’র নেতারা ও ছিল। এবিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মানিকের সাথে কথা বলেন।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল বারি বলেন, ৯৯৯এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়েছিল আমি জিডিতে নোট দিয়েছি। বাদী পক্ষ মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।