৪৪টি সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি, গ্রামবাসীর মন জিতলেন বিজয়-রশ্মিকা

আপলোড সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৫২:৫৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৩-২০২৬ ০৫:৫২:৫৪ অপরাহ্ন
বিয়ের পর প্রথমবার পৈতৃক ভিটেতে ফিরলেন দক্ষিণী তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। সোমবার তেলেঙ্গানার নাগরকুর্নুল জেলার থাম্মানপেট গ্রামে তাঁদের ফিরে আসা ঘিরে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। দক্ষিণ ভারতীয় রীতি মেনে নাচ-গান আর শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসিয়ে দেওয়া হয় নবদম্পতিকে। সদ্য সংস্কার হওয়া পৈতৃক বাড়িতেই আয়োজন করা হয় বিবাহোত্তর সত্যনারায়ণ পুজোর।

পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি গ্রামের প্রবীণরাও আশীর্বাদে ভরিয়ে দেন বিজয় ও রশ্মিকাকে। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন তাঁরা, কথা বলেন, কৃতজ্ঞতা জানান ভালবাসার জন্য। কিন্তু এই সফরের চমক ছিল অন্য জায়গায়।

নিজের শিকড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন বিজয়। ‘দেবরাকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে থাম্মানপেট ও আশপাশের মোট ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণির আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—অভাবের কারণে যাতে কোনও পড়ুয়ার পড়াশোনা থেমে না যায় এবং তারা স্কুলছুট হয়ে না পড়ে।

গ্রামের মানুষের সামনে তেলুগু ভাষায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজয় জানান, নিজের গ্রামই তাঁর শক্তির জায়গা। তাই এখানকার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে সামান্য সহায়তা করতে পারলে সেটাই হবে তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাঁর কথায় আপ্লুত হন উপস্থিত গ্রামবাসীরা। এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান সকলে।

তারকা জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও শিকড়কে ভুলে না গিয়ে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার যে বার্তা দিলেন বিজয়-রশ্মিকা, তাতে তাঁদের এই সফর শুধু পারিবারিক আচারেই সীমাবদ্ধ থাকল না—বরং হয়ে উঠল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক আশার আলো।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]