রংপুরে কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতার ‘ডিশ-ইন্টারনেট’ ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দুইজন আসামি জামিন পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রাশেদ হোসাইন শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রংপুর জেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব ও জেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ কায়সার মিথুন।
এর আগে সোমবার (২ মার্চ) রাতে ক্যাবল ওয়ানের জিএম রায়হান আহম্মেদ পরাগ এবং মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের সহকারী হিসাব রক্ষক মো. রাসেল তাদের বিরুদ্ধে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করেন।
এতে জেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই র্যাব-১৩ ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে গালিব ও মিথুন গ্রেপ্তার হয়।
এদিকে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠানের লাইন কেটে দেয়। এতে গ্রাহকরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন এবং দুই প্রতিষ্ঠান প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের পপ ম্যানেজার রেবেকা হারুন সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে গালিব ও মনুসহ আনুমানিক ১৫/২০ জন প্রতিষ্ঠানের অফিসে ঢুকে স্টাফদের ওপর মারমুখী আচরণ চালায়। এ সময় তামজিদুর রশিদ গালিবের নির্দেশে অন্য আসামিরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ভাঙচুর করে। হুমকি দেয় যে, আগামীকালের মধ্যে কামাল কাছনা এলাকায় আসামি তামজিদুর রশিদ গালিবকে নতুন ফিড অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।
এ সময় আকিবুল রহমান মনু প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মাহাদি হাসান কাফিকে মোবাইলে হুমকি দেন, ‘তুই আওয়ামী লীগের দালালি করছিস। তোর বাসায় গিয়ে গুলি করে আসব। আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস তাহলে তোর বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’
পরে মনুসহ তাদের অনুসারীরা হুমকি দেন যে, অফিসের বাইরে গেলে কর্মীদের মারধর বা খুন-জখম করা হবে। ঘটনার পর তারা সেখান থেকে চলে যায়।
এরপর তাদের এই হুমকি-ধমকিসহ হামলা চেষ্টার সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসেন দলের শীর্ষ নেতারা।
অভিযুক্ত দুই নেতাকে ১ মার্চ রাতে বহিষ্কার করে যুবদল। সংগঠনটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি-আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রাশেদ হোসাইন শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রংপুর জেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব ও জেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ কায়সার মিথুন।
এর আগে সোমবার (২ মার্চ) রাতে ক্যাবল ওয়ানের জিএম রায়হান আহম্মেদ পরাগ এবং মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের সহকারী হিসাব রক্ষক মো. রাসেল তাদের বিরুদ্ধে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করেন।
এতে জেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই র্যাব-১৩ ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে গালিব ও মিথুন গ্রেপ্তার হয়।
এদিকে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা প্রতিষ্ঠানের লাইন কেটে দেয়। এতে গ্রাহকরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন এবং দুই প্রতিষ্ঠান প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের পপ ম্যানেজার রেবেকা হারুন সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে গালিব ও মনুসহ আনুমানিক ১৫/২০ জন প্রতিষ্ঠানের অফিসে ঢুকে স্টাফদের ওপর মারমুখী আচরণ চালায়। এ সময় তামজিদুর রশিদ গালিবের নির্দেশে অন্য আসামিরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ভাঙচুর করে। হুমকি দেয় যে, আগামীকালের মধ্যে কামাল কাছনা এলাকায় আসামি তামজিদুর রশিদ গালিবকে নতুন ফিড অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।
এ সময় আকিবুল রহমান মনু প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মাহাদি হাসান কাফিকে মোবাইলে হুমকি দেন, ‘তুই আওয়ামী লীগের দালালি করছিস। তোর বাসায় গিয়ে গুলি করে আসব। আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস তাহলে তোর বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’
পরে মনুসহ তাদের অনুসারীরা হুমকি দেন যে, অফিসের বাইরে গেলে কর্মীদের মারধর বা খুন-জখম করা হবে। ঘটনার পর তারা সেখান থেকে চলে যায়।
এরপর তাদের এই হুমকি-ধমকিসহ হামলা চেষ্টার সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসেন দলের শীর্ষ নেতারা।
অভিযুক্ত দুই নেতাকে ১ মার্চ রাতে বহিষ্কার করে যুবদল। সংগঠনটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি-আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।