সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে এক স্কুলের শিক্ষক ও যুবদল নেতার বাড়ি থেকে ১২ ফুট উচ্চতার গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আদালতে উপস্থিত করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
কাজিপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সাইদ সোমবার (২ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটককৃত শিক্ষক মাহবুবুর রহমান মানিক (৪৫) সিরাজগঞ্জের চালিতাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি আনোয়ারা আজাদ মাধ্যমিক কারিগরি ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ও আর্কিটেকচার বিভাগের সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত এবং চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ছিলেন।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে মানিকের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারী দল তার বাড়ির পিছনের অংশ থেকে প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার ও প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের একটি গাঁজার গাছ জব্দ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শিক্ষক মানিক নিজেই গাছটি রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করে বড় করেছেন।
অভিযানের সময় মাহবুবুর রহমান গাঁজার গাছ রাখার ও পরিচর্যার কথা স্বীকার করেন। পরে কাজিপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে কোর্টে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গাঁজাসহ চাষাবাদ, পরিবহন ও বিক্রয় বাংলাদেশে অবৈধ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
কাজিপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সাইদ সোমবার (২ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটককৃত শিক্ষক মাহবুবুর রহমান মানিক (৪৫) সিরাজগঞ্জের চালিতাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি আনোয়ারা আজাদ মাধ্যমিক কারিগরি ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ও আর্কিটেকচার বিভাগের সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত এবং চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ছিলেন।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে মানিকের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারী দল তার বাড়ির পিছনের অংশ থেকে প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার ও প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের একটি গাঁজার গাছ জব্দ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শিক্ষক মানিক নিজেই গাছটি রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করে বড় করেছেন।
অভিযানের সময় মাহবুবুর রহমান গাঁজার গাছ রাখার ও পরিচর্যার কথা স্বীকার করেন। পরে কাজিপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে কোর্টে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গাঁজাসহ চাষাবাদ, পরিবহন ও বিক্রয় বাংলাদেশে অবৈধ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।