মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর। ইরান ও ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইজরায়েল লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইজরায়েলও ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, ইরানের ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একই সময়ে দেশজুড়ে বায়ু হামলার সতর্কসংকেত বাজিয়ে সাধারণ নাগরিকদের নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সামরিক সূত্রের ভাষ্য, এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা।
এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন-আনসার আল্লাহ-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি লোহিত সাগর হয়ে নৌপথে জাহাজে হামলারও হুমকি দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সূত্রে জানা গেছে, ইজরায়েলের হামলার পরপরই হুথি নেতৃত্ব এ সতর্কবার্তা দেয়। বর্তমানে হুথিরা উত্তর ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রাজধানী সানা রয়েছে।
শনিবার মধ্যরাতে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করেছে। এরপর ইরানের রাজধানী তেহরান-এর বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উড়তে দেখা যায় বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়। হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর দপ্তরের নিকটবর্তী এলাকাও হামলার আওতায় এসেছে।
অন্যদিকে ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষিতে ইজরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড নাগরিকদের নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলেছে। ইজরায়েলে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদেরও নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকতে ও নিয়মিত সরকারি ওয়েবসাইটে আপডেট খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ভারত সরকারও তাদের নাগরিকদের একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইজরায়েল সরাসরি সামরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে তা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইয়েমেনভিত্তিক হুথিদের লোহিত সাগর দিয়ে নৌপথে হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, ইরানের ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একই সময়ে দেশজুড়ে বায়ু হামলার সতর্কসংকেত বাজিয়ে সাধারণ নাগরিকদের নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সামরিক সূত্রের ভাষ্য, এটি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা।
এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন-আনসার আল্লাহ-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি লোহিত সাগর হয়ে নৌপথে জাহাজে হামলারও হুমকি দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস সূত্রে জানা গেছে, ইজরায়েলের হামলার পরপরই হুথি নেতৃত্ব এ সতর্কবার্তা দেয়। বর্তমানে হুথিরা উত্তর ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মধ্যে রাজধানী সানা রয়েছে।
শনিবার মধ্যরাতে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করেছে। এরপর ইরানের রাজধানী তেহরান-এর বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উড়তে দেখা যায় বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়। হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর দপ্তরের নিকটবর্তী এলাকাও হামলার আওতায় এসেছে।
অন্যদিকে ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষিতে ইজরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড নাগরিকদের নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলেছে। ইজরায়েলে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদেরও নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকতে ও নিয়মিত সরকারি ওয়েবসাইটে আপডেট খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ভারত সরকারও তাদের নাগরিকদের একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইজরায়েল সরাসরি সামরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে তা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইয়েমেনভিত্তিক হুথিদের লোহিত সাগর দিয়ে নৌপথে হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।