মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে বাহরিন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান-এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। হামলার পর বাহরিনের রাজধানী মানামা ও আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
বাহরিন সরকার জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএস ফিফথ ফ্লিটের পরিষেবা কেন্দ্র। মানামার জুফায়ের এলাকায় অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং জর্ডানের মুয়াফফাক আল-সালতি বিমানঘাঁটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এক ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা Reuters-কে জানান, “মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটিই তেহরানের আওতার মধ্যে রয়েছে।
এর আগে ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে পরিচালিত ইজরায়েলের হামলায় অন্তত তিন থেকে চারটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তেহরানে বিস্ফোরণের পরপরই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায় এবং পাল্টা আঘাত হানে ইরান।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী Anwar Ibrahim সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেন, ইরানে ইজরায়েলের হামলা এবং তাতে যুক্ত মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যকে গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার পথ ভেস্তে দিয়ে বৃহত্তর সংঘাতে অন্যান্য দেশকে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে উত্তেজনা না বাড়িয়ে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান তিনি এবং ইরানসহ পুরো অঞ্চলে অবস্থানরত মালয়েশিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইজরায়েলে অবস্থিত ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ভারতীয় দূতাবাস। তেহরান ও তেল আবিবে অবস্থিত মিশনগুলো নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
জরুরি পরামর্শে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশিকা অনুসরণ, নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান এবং স্থানীয় সংবাদ ও সরকারি সতর্কবার্তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনে নতুন আপডেট প্রকাশ করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
বাহরিন সরকার জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তু ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএস ফিফথ ফ্লিটের পরিষেবা কেন্দ্র। মানামার জুফায়ের এলাকায় অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়া কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং জর্ডানের মুয়াফফাক আল-সালতি বিমানঘাঁটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এক ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা Reuters-কে জানান, “মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটিই তেহরানের আওতার মধ্যে রয়েছে।
এর আগে ইরানের রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে পরিচালিত ইজরায়েলের হামলায় অন্তত তিন থেকে চারটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তেহরানে বিস্ফোরণের পরপরই পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায় এবং পাল্টা আঘাত হানে ইরান।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী Anwar Ibrahim সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেন, ইরানে ইজরায়েলের হামলা এবং তাতে যুক্ত মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যকে গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার পথ ভেস্তে দিয়ে বৃহত্তর সংঘাতে অন্যান্য দেশকে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে উত্তেজনা না বাড়িয়ে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান তিনি এবং ইরানসহ পুরো অঞ্চলে অবস্থানরত মালয়েশিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইজরায়েলে অবস্থিত ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ভারতীয় দূতাবাস। তেহরান ও তেল আবিবে অবস্থিত মিশনগুলো নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
জরুরি পরামর্শে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশিকা অনুসরণ, নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান এবং স্থানীয় সংবাদ ও সরকারি সতর্কবার্তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনে নতুন আপডেট প্রকাশ করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।