স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যার যেটা কাজ সে সেটা করবে। যারা দুর্নীতি করবে তাদের দেখার জন্য দুদক আছে। আমরা কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি দিবোও না।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সরকারি সকল দপ্তরের অফিস প্রধানদের সাথে পরিচয় পর্ব ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে টিম এসেছে। আমরা আশা করছি ২০২৭ সালের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অবহিত হয়েছি ঠাকুরগাঁওয়ে কি কি উন্নয়ন মূলক কাজ চলছে এবং সামনে হবে। আমরা আজকে মতবিনিময় সভায়
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
ঠাকুরগাঁও নিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের উন্নয়নে আলোচনা করা হয়েছে। পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। কৃষির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রজেক্ট রয়েছে সেই প্রজেক্টগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য কাছ করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, জনগণের খাদ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নারীদের উন্নয়নে কাজ করা হবে। ইতোমধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমরা মনে করি এ বিষয়গুলোতে সময় নষ্ট না করে আমাদের সময় দেওয়া উচিত ভবিষ্যতের জন্য। আমরা কিভাবে দেশকে সত্যিকার অর্থে সমৃদ্ধ করতে পারবো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা করতে পারব, সেই বিষয়ে আমাদের নজর দেওয়া উচিত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ অন্যান্যরা।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সরকারি সকল দপ্তরের অফিস প্রধানদের সাথে পরিচয় পর্ব ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে টিম এসেছে। আমরা আশা করছি ২০২৭ সালের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অবহিত হয়েছি ঠাকুরগাঁওয়ে কি কি উন্নয়ন মূলক কাজ চলছে এবং সামনে হবে। আমরা আজকে মতবিনিময় সভায়
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
ঠাকুরগাঁও নিয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের উন্নয়নে আলোচনা করা হয়েছে। পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। কৃষির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রজেক্ট রয়েছে সেই প্রজেক্টগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য কাছ করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, জনগণের খাদ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নারীদের উন্নয়নে কাজ করা হবে। ইতোমধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমরা মনে করি এ বিষয়গুলোতে সময় নষ্ট না করে আমাদের সময় দেওয়া উচিত ভবিষ্যতের জন্য। আমরা কিভাবে দেশকে সত্যিকার অর্থে সমৃদ্ধ করতে পারবো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা করতে পারব, সেই বিষয়ে আমাদের নজর দেওয়া উচিত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনসহ অন্যান্যরা।