উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার কামারপুকুর পূর্বপাড়া মিলন বাজার এলাকায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সড়কের নির্মমতায় প্রাণ হারান রুস্তম আলী (৯০) নামে এক বৃদ্ধ। জীবনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া এই মানুষটি বহুদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এলাকায় নিঃশব্দে ঘুরে বেড়াতেন। পরিচিত জনদের কাছে তিনি ছিলেন এক চেনা মুখ-কখনো নির্লিপ্ত, কখনো নিজের ভুবনে হারিয়ে যাওয়া এক নিঃসঙ্গ পথিক। কিন্তু সেই চেনা পথই যেন শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠল তার মৃত্যুর কারণ।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই স্তব্ধ হয়ে যায় একটি পরিবারের শেষ আশ্রয়।নিহত রুস্তম আলী ওই এলাকার মৃত কেরামত আলীর ছেলে। তার ছেলে খোরশেদ আলী জানান, বাবা অনেকদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এর আগেও কয়েকবার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। কিন্তু এবার আর তাকে ফিরিয়ে আনতে পারলাম না।
পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। রাণীশংকৈল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একটি দীর্ঘ জীবনের শেষ অধ্যায় শেষ হলো নিঃশব্দেই। রেখে গেল শুধু শোক, স্মৃতি আর এক টুকরো বিষণ্ন বিকেলের গল্প।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই স্তব্ধ হয়ে যায় একটি পরিবারের শেষ আশ্রয়।নিহত রুস্তম আলী ওই এলাকার মৃত কেরামত আলীর ছেলে। তার ছেলে খোরশেদ আলী জানান, বাবা অনেকদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এর আগেও কয়েকবার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। কিন্তু এবার আর তাকে ফিরিয়ে আনতে পারলাম না।
পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। রাণীশংকৈল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একটি দীর্ঘ জীবনের শেষ অধ্যায় শেষ হলো নিঃশব্দেই। রেখে গেল শুধু শোক, স্মৃতি আর এক টুকরো বিষণ্ন বিকেলের গল্প।