চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানার আলোচিত আকাশ দাশ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি নাজমুল হুদা (১৯)কে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭ ও র্যাব-১৩-এর যৌথ আভিযানিক দল।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৮টায় পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি এলাকায় আকাশ দাশ (২৬) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে একদল সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত আকাশ দাশ দক্ষিণ কাট্টলী ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাশের ছেলে। তিনি পাহাড়তলী থানাধীন এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সময় ফ্যাক্টরির শোল্ডার শাখার কর্মচারী মাইকেলকে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল সন্ত্রাসী টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে গেলে আকাশ দাশ তাকে উদ্ধার করে মূল ফটকে নিয়ে আসেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজমুল হুদাসহ অজ্ঞাতনামা ১২-১৫ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাবুল দাশ পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৯, তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬; ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
র্যাব জানায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি নাজমুল হুদা গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌরসভা এলাকায় অবস্থান করছে। পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নাজমুল হুদা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঠানপাড়া এলাকার হাকিম মাঝির ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে পাহাড়তলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে র্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৮টায় পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি এলাকায় আকাশ দাশ (২৬) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে একদল সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত আকাশ দাশ দক্ষিণ কাট্টলী ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাশের ছেলে। তিনি পাহাড়তলী থানাধীন এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সময় ফ্যাক্টরির শোল্ডার শাখার কর্মচারী মাইকেলকে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল সন্ত্রাসী টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে গেলে আকাশ দাশ তাকে উদ্ধার করে মূল ফটকে নিয়ে আসেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজমুল হুদাসহ অজ্ঞাতনামা ১২-১৫ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাবুল দাশ পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৯, তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬; ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
র্যাব জানায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি নাজমুল হুদা গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌরসভা এলাকায় অবস্থান করছে। পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নাজমুল হুদা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঠানপাড়া এলাকার হাকিম মাঝির ছেলে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে পাহাড়তলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে র্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।