রাজশাহী নগরীর তালাইমারী শহীদ বাবর আলী সড়ক এলাকায় আতিক মাহামুদ নাইস (৩৩) নামে মাদক কারবারীর হুমকি ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি পুলিশ কমিশনার বরাবর প্রদান করা হয়েছে এবং বোয়ালিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় একাদীক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, স্থানীয় দৈনিক ও জাতীয় দৈনি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তারপরও অভিযুক্ত নাইসের দাপট, হুমকি, ধামকি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগে বলা হয়, তালাইমারী এলাকার বাসিন্দা নাইস দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়দের দাবি, তাঁকে বাধা দেওয়ায় তিনি এলাকার ছোট-বড়দের ছুরিকাঘাতের হুমকি প্রদান করে থাকে। এছাড়া সাবেক কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এবং রাসিক ২৫নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলরের কবর অবমাননার ঘটনাও অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। মানববন্ধন শেষে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
অভিযুক্তের পিতা মোঃ নিজামুদ্দিন (৬৮) লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করেছেন, তাঁর ছেলে দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি সহযোগিতা করবেন। এমনকি ভবিষ্যতে তাঁর ছেলের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি দায় বহন করবেন বলেও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে।
অভিযুক্ত নাইসের পিতা মোঃ নিজামুদ্দিন বলেন, আমার ছেলে মাদকাশক্ত এবং উগ্র মেজাজের। তবে প্রতিবেশীরা বলছেন, সে মাদক কারবারের সাথে জড়িত। তাই গত ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে আমি প্রতিবেশীদের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ৩০০শত টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। আমার ছেলের দ্বারা কাহারো কোন ক্ষতি হলে, তা আমি পূরুণ করবো। তিনি আরও বলেন, আপাতত আমার চাওয়া পুলিশ তাকে আটক করে ৩/৪মাস কারাগারে রাখুক। যাতে সে ভাল হয়।
স্থানীয় মোঃ সোহাগ আলী জানায়, মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসী নাইস। সব সময় কাছে ধারালো চাকু ও হাসুয়া রাখে। তার মাদক কারবার বন্ধের কথা বললেই তার উপর আক্রমন ও নির্যাতন চালায়। শুধু তই নয়, ৬/৭জন মাদকাশক্ত যুবককে দিয়ে মাদক বিক্রি করায় সে। স্থানীয় ভাবে কোন প্রকার মাদক কারবারে বিঘ্ন ঘটলে পার্শ্ববর্তী এলাকার জনৈক এক মাদকাশক্ত নেতাকে দিয়ে হুমকি ধাকমি দেওয়ায় প্রতিবাদ কারীদের। এছাড়া ওই নেতা মাদক কারবারী নাইসের পক্ষে থানায় তদবির করে বলেও দাবি করেন তিনি।
জানতে চাইলে বোয়ারিয়া মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাসুদ কবির জানান, অভিযোগ পেয়ে আমি একদিন সরেজমিনে এবং অভিযোগকারীকে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি সে এলাকা থেকে পালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা যদি তাকে দেখতে পায়, আমাকে জানালে আটক করবো।
এদিকে নগরীর তালাইমারী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার হয়েছে। রাসিক ২৫ নং ওয়ার্ড থেকে মাদক নিমূলে মূল অভিযুক্ত নাইন-সহ সকল মাদক কারবারীদের আটকের দাবি জানিয়ে গণস্বাক্ষর সম্মেলিত একটি অভিযোগ পুলিশ কমিশনার মহাদয়ের কাছে জমা দিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে পুলিশের দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি পুলিশ কমিশনার বরাবর প্রদান করা হয়েছে এবং বোয়ালিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় একাদীক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, স্থানীয় দৈনিক ও জাতীয় দৈনি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তারপরও অভিযুক্ত নাইসের দাপট, হুমকি, ধামকি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগে বলা হয়, তালাইমারী এলাকার বাসিন্দা নাইস দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়দের দাবি, তাঁকে বাধা দেওয়ায় তিনি এলাকার ছোট-বড়দের ছুরিকাঘাতের হুমকি প্রদান করে থাকে। এছাড়া সাবেক কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এবং রাসিক ২৫নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলরের কবর অবমাননার ঘটনাও অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। মানববন্ধন শেষে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
অভিযুক্তের পিতা মোঃ নিজামুদ্দিন (৬৮) লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করেছেন, তাঁর ছেলে দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি সহযোগিতা করবেন। এমনকি ভবিষ্যতে তাঁর ছেলের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি দায় বহন করবেন বলেও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে।
অভিযুক্ত নাইসের পিতা মোঃ নিজামুদ্দিন বলেন, আমার ছেলে মাদকাশক্ত এবং উগ্র মেজাজের। তবে প্রতিবেশীরা বলছেন, সে মাদক কারবারের সাথে জড়িত। তাই গত ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে আমি প্রতিবেশীদের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ৩০০শত টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। আমার ছেলের দ্বারা কাহারো কোন ক্ষতি হলে, তা আমি পূরুণ করবো। তিনি আরও বলেন, আপাতত আমার চাওয়া পুলিশ তাকে আটক করে ৩/৪মাস কারাগারে রাখুক। যাতে সে ভাল হয়।
স্থানীয় মোঃ সোহাগ আলী জানায়, মাদক কারবারী ও সন্ত্রাসী নাইস। সব সময় কাছে ধারালো চাকু ও হাসুয়া রাখে। তার মাদক কারবার বন্ধের কথা বললেই তার উপর আক্রমন ও নির্যাতন চালায়। শুধু তই নয়, ৬/৭জন মাদকাশক্ত যুবককে দিয়ে মাদক বিক্রি করায় সে। স্থানীয় ভাবে কোন প্রকার মাদক কারবারে বিঘ্ন ঘটলে পার্শ্ববর্তী এলাকার জনৈক এক মাদকাশক্ত নেতাকে দিয়ে হুমকি ধাকমি দেওয়ায় প্রতিবাদ কারীদের। এছাড়া ওই নেতা মাদক কারবারী নাইসের পক্ষে থানায় তদবির করে বলেও দাবি করেন তিনি।
জানতে চাইলে বোয়ারিয়া মডেল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাসুদ কবির জানান, অভিযোগ পেয়ে আমি একদিন সরেজমিনে এবং অভিযোগকারীকে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি সে এলাকা থেকে পালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা যদি তাকে দেখতে পায়, আমাকে জানালে আটক করবো।
এদিকে নগরীর তালাইমারী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার হয়েছে। রাসিক ২৫ নং ওয়ার্ড থেকে মাদক নিমূলে মূল অভিযুক্ত নাইন-সহ সকল মাদক কারবারীদের আটকের দাবি জানিয়ে গণস্বাক্ষর সম্মেলিত একটি অভিযোগ পুলিশ কমিশনার মহাদয়ের কাছে জমা দিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে পুলিশের দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।