এপস্টিন-সংক্রান্ত নথিতে একের পর এক বিশ্বের তাবড় তাবড় নাম উঠে আসায় বিতর্কের আগুন পুরোপুরি নিভছে না। এবার বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং-কে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যার কেন্দ্রবিন্দু একটি ভাইরাল ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পুলসাইডে বিকিনি পরিহিত দুই নারীর মাঝে হাসিমুখে সময় কাটাচ্ছেন, হাতে পানীয়ের গ্লাস।
তবে এই ছবি নিয়ে জল্পনা ছড়াতেই হকিংয়ের পরিবার জানিয়ে দিয়েছে, ওই দুই মহিলা অচেনা কেউ নন, বরং তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচর্যাকারী।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, একটি নীল লাউঞ্জ চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন হকিং। হাতে ফল দিয়ে সাজানো লাল রঙের পানীয়, মুখে হাসি। চারপাশের পরিবেশ দেখে এটা খানিক স্পষ্ট যে, কোনও রিসর্ট বা সুইমিং পুলের ধারে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
এই ছবিটি ঠিক কোন পরিস্থিতিতে তোলা হয়েছিল, তা নিয়ে আদালতের নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। তবে পরিবারের দাবি, ছবিটি ২০০৬ সালে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ সেন্ট থমাসের রিতজ কার্লটন হোটেলে তোলা হয়েছিল। সেখানে কোয়ান্টাম কসমোলজি বিষয়ে বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন হকিং।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে হকিংয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ছবিতে থাকা দুই মহিলা ব্রিটেনের, এবং তাঁরা ছিলেন হকিংয়ের দীর্ঘদিনের পরিচর্যাকারী। তাঁদের কথায়, হকিংয়ের বিরুদ্ধে কোনও অনুচিত আচরণের ইঙ্গিত করা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ভিত্তিহীন।
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের মার্চ মাসে সেন্ট থমাস দ্বীপে যে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন হয়েছিল, সেটির আয়োজক ছিলেন কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারী ও যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন (Jeffrey Epstein)। ওই সম্মেলনে বিশ্বের ২১ জন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন হকিংও।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, ওই সম্মেলনের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবার যৌনপেশা সংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত হন এপস্টিন।
মার্কিন বিচার বিভাগ তিন মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে। এই বিপুল ডেটার মধ্যে রয়েছে ২,০০০-র বেশি ভিডিও ও প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। পরবর্তীতে এপস্টিন-সংক্রান্ত মার্কিন তদন্তে প্রকাশিত নথির ভাণ্ডারে, যেখানে আদালতের কাগজপত্র, যোগাযোগের রেকর্ড ও বিভিন্ন তথ্য রয়েছে, সেখানে হকিংয়ের নাম একাধিকবার উঠে আসে।
২০১৫ সালের জানুয়ারিতে এপস্টিন তাঁর সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে একটি ইমেল পাঠান। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, হকিং নাকি ‘আন্ডারএজ অরজি’ বা নাবালিকাদের যৌন চক্রেও অংশ নিয়েছিলেন - এমন একটি দাবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এপস্টিন নিজেই ওই অভিযোগকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন এবং তা কখনও ঘটেনি, এমন প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছেন বলেও লেখেন।
২০১৫ সালের আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে বসে একটি বারবিকিউ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন হকিং। আরও একবার তাঁকে এপস্টিনের দ্বীপের আশপাশের সমুদ্রতল ঘুরে দেখানোর জন্য সাবমেরিন ভ্রমণের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে জানা যায়, যেখানে এপস্টিন তাঁর অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিরল স্নায়ুরোগ ALS-এর সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে প্রয়াত হন স্টিফেন হকিং। এদিকে ২০১৯ সালে জেলে থাকাকালীন 'আত্মঘাতী' হন এপস্টিন।
প্রিন্স অ্যান্ড্রু, ইলন মাস্ক-সহ রাজনীতি, ব্যবসা ও সাংস্কৃতিক জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টিনের যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। তবে বিজ্ঞানীর ভাইরাল ছবি ঘিরে জল্পনা যতই বাড়ুক, হকিংয়ের পরিবার স্পষ্ট জানিয়েছে, ছবির প্রসঙ্গকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তবে এই ছবি নিয়ে জল্পনা ছড়াতেই হকিংয়ের পরিবার জানিয়ে দিয়েছে, ওই দুই মহিলা অচেনা কেউ নন, বরং তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচর্যাকারী।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, একটি নীল লাউঞ্জ চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছেন হকিং। হাতে ফল দিয়ে সাজানো লাল রঙের পানীয়, মুখে হাসি। চারপাশের পরিবেশ দেখে এটা খানিক স্পষ্ট যে, কোনও রিসর্ট বা সুইমিং পুলের ধারে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
এই ছবিটি ঠিক কোন পরিস্থিতিতে তোলা হয়েছিল, তা নিয়ে আদালতের নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। তবে পরিবারের দাবি, ছবিটি ২০০৬ সালে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ সেন্ট থমাসের রিতজ কার্লটন হোটেলে তোলা হয়েছিল। সেখানে কোয়ান্টাম কসমোলজি বিষয়ে বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন হকিং।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে হকিংয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ছবিতে থাকা দুই মহিলা ব্রিটেনের, এবং তাঁরা ছিলেন হকিংয়ের দীর্ঘদিনের পরিচর্যাকারী। তাঁদের কথায়, হকিংয়ের বিরুদ্ধে কোনও অনুচিত আচরণের ইঙ্গিত করা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ভিত্তিহীন।
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের মার্চ মাসে সেন্ট থমাস দ্বীপে যে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন হয়েছিল, সেটির আয়োজক ছিলেন কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারী ও যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন (Jeffrey Epstein)। ওই সম্মেলনে বিশ্বের ২১ জন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন হকিংও।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, ওই সম্মেলনের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবার যৌনপেশা সংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত হন এপস্টিন।
মার্কিন বিচার বিভাগ তিন মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে। এই বিপুল ডেটার মধ্যে রয়েছে ২,০০০-র বেশি ভিডিও ও প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। পরবর্তীতে এপস্টিন-সংক্রান্ত মার্কিন তদন্তে প্রকাশিত নথির ভাণ্ডারে, যেখানে আদালতের কাগজপত্র, যোগাযোগের রেকর্ড ও বিভিন্ন তথ্য রয়েছে, সেখানে হকিংয়ের নাম একাধিকবার উঠে আসে।
২০১৫ সালের জানুয়ারিতে এপস্টিন তাঁর সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে একটি ইমেল পাঠান। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, হকিং নাকি ‘আন্ডারএজ অরজি’ বা নাবালিকাদের যৌন চক্রেও অংশ নিয়েছিলেন - এমন একটি দাবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এপস্টিন নিজেই ওই অভিযোগকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন এবং তা কখনও ঘটেনি, এমন প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছেন বলেও লেখেন।
২০১৫ সালের আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে বসে একটি বারবিকিউ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন হকিং। আরও একবার তাঁকে এপস্টিনের দ্বীপের আশপাশের সমুদ্রতল ঘুরে দেখানোর জন্য সাবমেরিন ভ্রমণের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে জানা যায়, যেখানে এপস্টিন তাঁর অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিরল স্নায়ুরোগ ALS-এর সঙ্গে লড়াই করার পর ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে প্রয়াত হন স্টিফেন হকিং। এদিকে ২০১৯ সালে জেলে থাকাকালীন 'আত্মঘাতী' হন এপস্টিন।
প্রিন্স অ্যান্ড্রু, ইলন মাস্ক-সহ রাজনীতি, ব্যবসা ও সাংস্কৃতিক জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টিনের যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। তবে বিজ্ঞানীর ভাইরাল ছবি ঘিরে জল্পনা যতই বাড়ুক, হকিংয়ের পরিবার স্পষ্ট জানিয়েছে, ছবির প্রসঙ্গকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।