তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদ শহরে নিজের ভাড়া বাড়ি থেকে ২১ বছর বয়সী পার্ট-টাইম ইউটিউবার ও বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী বোনু কোমালির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম-এর বাসিন্দা কোমালি গত প্রায় ১১ মাস ধরে হায়দরাবাদে একা থাকতেন। তিনি একটি বেসরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকস্তরে পড়াশোনা করছিলেন।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ডায়েরিতে ভাঙা সম্পর্কের মানসিক টানাপোড়েনের কথা লিখে গিয়েছিলেন কোমালি। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের স্মৃতি ছাড়তে ভয় পাচ্ছেন তিনি। লেখেন, “জানি, সে আমার নয়। জানি, সম্পর্কে একা আমিই আছি, সে থাকার চেষ্টাও করছে না। তবুও, আমার একাংশ আজও অপেক্ষা করে, হয়তো একদিন সে আমাকেই বেছে নেবে।”
ডায়েরিতে আরও উঠে এসেছে, সম্পর্ক থেকে সম্পূর্ণ সরে আসার পর যদি ওই যুবক আবার ফিরে তাকান, তাহলে তাঁকে হারানোর ভয় কাজ করছিল কোমালির মধ্যে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কোমালি তিন বছর ধরে এক ২৭ বছর বয়সী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। ওই যুবক তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের সহকারী হিসেবেও কাজ করতেন। সম্প্রতি তাঁদের বিচ্ছেদ হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে কোমালি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার ভোররাতে কোমালি তাঁর মা বি. সত্যা বরলক্ষ্মীকে, যিনি কর্মসূত্রে কুয়েতে অবস্থান করছেন, একটি বার্তা পাঠান, “তোমাকে খুব ভালোবাসি, মা। একই সঙ্গে ছোট ভাইয়ের খেয়াল রাখার অনুরোধও করেন।
মেয়ের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে মা এক বন্ধুকে ফ্ল্যাটে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরের মধ্যে একটি শাড়ি ও একটি মই পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকেই কোমালির দেহ উদ্ধার করা হয়।
দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, মেসেজ, অন্যান্য ডিজিটাল ডেটা এবং বন্ধু-প্রতিবেশীদের বয়ান সংগ্রহ করা হচ্ছে। আত্মহত্যার পেছনে কোনও প্ররোচনা বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কোমালি ইউটিউবে লাইফস্টাইল, দৈনন্দিন ভ্লগ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও তৈরি করতেন। সম্প্রতি তাঁর তিরুমালা পদযাত্রার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ব্যক্তিগত এক মানত পূরণের উদ্দেশ্যে তিনি পাহাড়ের মন্দিরে হেঁটে উঠেছিলেন। সেটিই ছিল তাঁর শেষ পোস্ট।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম-এর বাসিন্দা কোমালি গত প্রায় ১১ মাস ধরে হায়দরাবাদে একা থাকতেন। তিনি একটি বেসরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকস্তরে পড়াশোনা করছিলেন।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ডায়েরিতে ভাঙা সম্পর্কের মানসিক টানাপোড়েনের কথা লিখে গিয়েছিলেন কোমালি। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের স্মৃতি ছাড়তে ভয় পাচ্ছেন তিনি। লেখেন, “জানি, সে আমার নয়। জানি, সম্পর্কে একা আমিই আছি, সে থাকার চেষ্টাও করছে না। তবুও, আমার একাংশ আজও অপেক্ষা করে, হয়তো একদিন সে আমাকেই বেছে নেবে।”
ডায়েরিতে আরও উঠে এসেছে, সম্পর্ক থেকে সম্পূর্ণ সরে আসার পর যদি ওই যুবক আবার ফিরে তাকান, তাহলে তাঁকে হারানোর ভয় কাজ করছিল কোমালির মধ্যে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কোমালি তিন বছর ধরে এক ২৭ বছর বয়সী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। ওই যুবক তাঁর ইউটিউব চ্যানেলের সহকারী হিসেবেও কাজ করতেন। সম্প্রতি তাঁদের বিচ্ছেদ হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে কোমালি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার ভোররাতে কোমালি তাঁর মা বি. সত্যা বরলক্ষ্মীকে, যিনি কর্মসূত্রে কুয়েতে অবস্থান করছেন, একটি বার্তা পাঠান, “তোমাকে খুব ভালোবাসি, মা। একই সঙ্গে ছোট ভাইয়ের খেয়াল রাখার অনুরোধও করেন।
মেয়ের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে মা এক বন্ধুকে ফ্ল্যাটে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরের মধ্যে একটি শাড়ি ও একটি মই পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকেই কোমালির দেহ উদ্ধার করা হয়।
দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, মেসেজ, অন্যান্য ডিজিটাল ডেটা এবং বন্ধু-প্রতিবেশীদের বয়ান সংগ্রহ করা হচ্ছে। আত্মহত্যার পেছনে কোনও প্ররোচনা বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কোমালি ইউটিউবে লাইফস্টাইল, দৈনন্দিন ভ্লগ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও তৈরি করতেন। সম্প্রতি তাঁর তিরুমালা পদযাত্রার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ব্যক্তিগত এক মানত পূরণের উদ্দেশ্যে তিনি পাহাড়ের মন্দিরে হেঁটে উঠেছিলেন। সেটিই ছিল তাঁর শেষ পোস্ট।