রাজশাহী নগরীর তালাইমারী এলাকায় এক শিশুর গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এক কথিত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। অভিযুক্তকে গ্রেফতার ও এলাকাকে মাদকমুক্ত করার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিও পালন করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ বাবর আলী সড়ক এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহাগ আলী (৩৮), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) পুলিশের পুলিশ কমিশনার ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি), বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ আতিক মাহামুদ নাইস (৩৩) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তালাইমারী এলাকায় রুহুলের মুদির দোকানের সামনে সোহাগ আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় আতিক। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এ সময় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবেশী মৃত আলী হোসেনের ছেলে আলমগীরকে (৩৭) প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেন। একপর্যায়ে আলমগীরের আট বছর বয়সী কন্যার গলায় ধারালো ছুরি ধরে জবাই করে হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। উপস্থিত এলাকাবাসীর অনুরোধে শিশুটিকে ছেড়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্ত।
পরদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার তালাইমারী সাহেব বাজার সড়কে শতাধিক এলাকাবাসী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা অভিযুক্তের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর পক্ষে সোহাগ আলী বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগকারী দাবি করেন, অভিযোগ দায়েরের কয়েকদিন পার হলেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি এলাকায় পুলিশি টহলও দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে মানববন্ধন ও অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্ত প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর দাবি, তালাইমারী শহীদ বাবর আলী সড়ক এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পুলিশ পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। কিন্তু ৪৮ঘন্টা অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি এবং অত্র এলাকায় পুলিশও দেখা যায়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালিয়া থানাধীন তালাইমারী শহীদ বাবর আলী সড়ক এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহাগ আলী (৩৮), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) পুলিশের পুলিশ কমিশনার ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি), বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ আতিক মাহামুদ নাইস (৩৩) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তালাইমারী এলাকায় রুহুলের মুদির দোকানের সামনে সোহাগ আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় আতিক। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এ সময় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবেশী মৃত আলী হোসেনের ছেলে আলমগীরকে (৩৭) প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেন। একপর্যায়ে আলমগীরের আট বছর বয়সী কন্যার গলায় ধারালো ছুরি ধরে জবাই করে হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। উপস্থিত এলাকাবাসীর অনুরোধে শিশুটিকে ছেড়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অভিযুক্ত।
পরদিন (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার তালাইমারী সাহেব বাজার সড়কে শতাধিক এলাকাবাসী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা অভিযুক্তের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর পক্ষে সোহাগ আলী বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগকারী দাবি করেন, অভিযোগ দায়েরের কয়েকদিন পার হলেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি এলাকায় পুলিশি টহলও দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে মানববন্ধন ও অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্ত প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর দাবি, তালাইমারী শহীদ বাবর আলী সড়ক এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পুলিশ পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। কিন্তু ৪৮ঘন্টা অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি এবং অত্র এলাকায় পুলিশও দেখা যায়নি।