৩০ পেরোতেই জয়েন্টে ব্যথা? অবহেলা করলে কিন্তু বড় বিপদ

আপলোড সময় : ২৪-০২-২০২৬ ০৩:৩৭:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০২-২০২৬ ০৩:৩৭:০৮ অপরাহ্ন
একটা সময় ভাবা হত জয়েন্টে ব্যথা মানেই বার্ধক্যের লক্ষণ। কিন্তু বদলে যাওয়া জীবনযাত্রায় এখন চিত্রটা অন্যরকম। ৩০-এর কোঠায় পা দিতে না দিতেই অনেকে হাঁটুতে টান, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর কোমরে যন্ত্রণা, কিংবা ল্যাপটপে কাজের পর কাঁধ-ঘাড় আড়ষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। অনেকেই একে ‘সামান্য সমস্যা’ ভেবে পেনকিলার খেয়ে এড়িয়ে যান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবহেলা ভবিষ্যতে পঙ্গুত্বের কারণও হতে পারে।

জয়পুরের সিকে বিড়লা হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট বিভাগের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ডা. ললিত মোদি জানাচ্ছেন, ৩০ বছর বয়সে জয়েন্টে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক নয়। এটি জীবনযাত্রার ত্রুটি বা জয়েন্টের ভেতর কোনও গঠনগত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই কারণ বুঝে দ্রুত সমাধান করা জরুরি।

চিকিৎসকদের মতে, বর্তমান জীবনযাপনে শরীরের নড়াচড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
সেডেন্টারি লাইফস্টাইল: অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ, যাতায়াতে গাড়ি এবং অবসর সময়ে মোবাইল বা ল্যাপটপে বুঁদ থাকা। এর ফলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ছে।
ভুল পশ্চার: ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় মেরুদণ্ড, নিতম্ব, হাঁটু ও কাঁধে অসম চাপ পড়ে।
অতিরিক্ত ওজন: শরীরের ওজন বাড়লে জয়েন্টের ওপর চাপ বাড়ে, যা কার্টিলেজ ক্ষয়ের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

কখন সাবধান হওয়া জরুরি?
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেও যদি ব্যথা না কমে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না। বিশেষ করে যদি:
জয়েন্টে ফোলাভাব থাকে।
বিশ্রামে থাকলেও যন্ত্রণা করে।
জয়েন্ট ‘লক’ হয়ে যায় বা নড়াচড়া করতে অসুবিধে হয়।
জয়েন্টে কোনো শব্দ অনুভূত হয়।
এগুলি কার্টিলেজ ক্ষয়, লিগামেন্টে চোট বা প্রদাহজনিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি প্রবল।

৩০-এ জয়েন্ট সুস্থ রাখার ৫ মন্ত্র
জয়েন্ট বা হাড়ের সংযোগস্থলের আয়ু বাড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:
১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের বাড়তি ওজন হাঁটুর ওপর সবথেকে বেশি চাপ তৈরি করে। তাই বিএমআই (BMI) অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখুন।
২. পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম: নিয়মিত স্ট্রেচিং এবং নমনীয়তা বাড়ানোর ব্যায়াম করুন।
৩. বিরতি নিন: টানা বসে থাকবেন না। কাজের ফাঁকে প্রতি ২০-৩০ মিনিট অন্তর একটু উঠে হাঁটুন।
৪. সঠিক পশ্চার: কাজ করার সময় বা ফোন ব্যবহারের সময় পিঠ ও ঘাড় সোজা রাখার চেষ্টা করুন।
৫. পরামর্শ: ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা জয়েন্টে অস্বস্তি হলে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]