যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও লেবার পার্টির প্রভাবশালী নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনকে অসদাচরণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে নতুন করে বেড়েছে এপস্টেইন কেলেঙ্কারির বিতর্কের মাত্রা। রাজপরিবার ও ব্রিটিশ রাজনীতিতেও চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইন সম্পর্কিত যেসব নথি প্রকাশ করেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তির মধ্যে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর পাশাপাশি লেবার পার্টির নেতা ম্যান্ডেলসনের নামও এসেছে।
ফাঁস হওয়া নথিপত্র এবং ই-মেইল থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ম্যান্ডেলসন সরকারের অভ্যন্তরীণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এপস্টাইনকে পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে ইউরো জোন রক্ষার বড় ধরনের আর্থিক প্যাকেজের তথ্যও ছিল।
নথির তথ্য মতে, ২ হাজার এর দশকের শুরুতে এপস্টিনের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ হাজার ডলার তার অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সমালোচনার মুখে পড়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার।
ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্তের দাবি জানায় বিরোধীরা। বিতর্কের মুখে ম্যান্ডেলসনকে অপসারন করা হয় ও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ম্যান্ডেলসন চলতি মাসে লেবার পার্টি ও হাউস অব লর্ডস থেকে পদত্যাগ করেন।
এর মধ্যেই স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনের ক্যামডেন থেকে পুলিশ ম্যান্ডেলসনকে আটক করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়ার সময় গাড়িতে তুলছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সরকারি দফতরে অসদাচরণ করেছেন।
এপস্টেইন কাণ্ডে প্রভাব পড়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারেও। এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে একই অভিযোগে রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু অল্প সময়ের জন্য আটক হন। যদিও ১১ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য পুলিশ। অ্যান্ড্রু তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইন সম্পর্কিত যেসব নথি প্রকাশ করেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তির মধ্যে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর পাশাপাশি লেবার পার্টির নেতা ম্যান্ডেলসনের নামও এসেছে।
ফাঁস হওয়া নথিপত্র এবং ই-মেইল থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ম্যান্ডেলসন সরকারের অভ্যন্তরীণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এপস্টাইনকে পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে ইউরো জোন রক্ষার বড় ধরনের আর্থিক প্যাকেজের তথ্যও ছিল।
নথির তথ্য মতে, ২ হাজার এর দশকের শুরুতে এপস্টিনের কাছ থেকে প্রায় ৭৫ হাজার ডলার তার অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। সমালোচনার মুখে পড়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার।
ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্তের দাবি জানায় বিরোধীরা। বিতর্কের মুখে ম্যান্ডেলসনকে অপসারন করা হয় ও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ম্যান্ডেলসন চলতি মাসে লেবার পার্টি ও হাউস অব লর্ডস থেকে পদত্যাগ করেন।
এর মধ্যেই স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনের ক্যামডেন থেকে পুলিশ ম্যান্ডেলসনকে আটক করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়ার সময় গাড়িতে তুলছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সরকারি দফতরে অসদাচরণ করেছেন।
এপস্টেইন কাণ্ডে প্রভাব পড়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারেও। এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে একই অভিযোগে রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু অল্প সময়ের জন্য আটক হন। যদিও ১১ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য পুলিশ। অ্যান্ড্রু তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।