বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উদ্যোগে নাটোরের গুরুদাসপুরে দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় সোমবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই কর্মসূচি হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএডিসি'র নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে.এম. রাফিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান, সোনালী ব্যাংক গুরুদাসপুর শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান রাসেল, উপজেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, "কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আরও লাভবান হতে পারবেন।"
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, এই প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, সাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মোট ৩০টি ব্যাচে পর্যায়ক্রমে ১ হাজার ২০০ জন কৃষককে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএডিসি'র নাটোরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে.এম. রাফিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান, সোনালী ব্যাংক গুরুদাসপুর শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান রাসেল, উপজেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, "কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আরও লাভবান হতে পারবেন।"
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, এই প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, সাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মোট ৩০টি ব্যাচে পর্যায়ক্রমে ১ হাজার ২০০ জন কৃষককে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।