রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সাংসদ আবু সাইদ চাঁদ বলেছেন,চারঘাটে বড় সমস্যা হচ্ছে জ্বলাবদ্ধতা। তবে জ্লাবদ্ধতার কারন আপনারা চিহিৃত করেন না।
জ্বলাবদ্ধতার মুল কারন হচ্ছে অপরিকল্পিত ভাবে গত কয়েক বছর ধরে চারঘাটে অবৈধ ভাবে খনন করা হয়েছে শতশত পুকুর। এই পুকুর খননের কারনেই আজ চারঘাটে জ্বলাবদ্ধতা মারাক্তক আকার ধারন করেছে। আমি চাই আর একটি জমিতে যেন অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করা না হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য আবু সাইদ চাঁদ এসব কথা বলেন।
তিনি স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দ্যেশে বলেন, আপনারা কোন ভাবেই চারঘাটে আজ থেকে একটি অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করতে দিবেন না। যতো বড়ই ক্ষতাধর ব্যাক্তিই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথা আইনী ব্যবস্থা নিতে একটুও পিছপা হবেন না।
এছাড়াও চারঘাট-বাঘায় আরো একটি সমস্যা রয়েছে জটিল সমস্যা। সেটি হলো মাদক। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করতে হবে। আমার দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন নেতা মাদকের তদবির করলে তাকেও আইনের আওতায় আনবেন।
মনে রাখবেন, আমি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের ও উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি জানি পুলিশ প্রশাসন সৎ, ন্যায়, নিষ্টা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে চারঘাট-বাঘাকে মাদক মুক্ত উপজেলা গড়া সময়ের ব্যাপার।
তবে শষ্যের মধ্যে ভুত থাকলে সম্ভব নয়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশকে কঠোর ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন সাংসদ আবু সাইদ চাঁদ।
তিনি আরও বলেন, আপনি ও আপনার অফিসাররা জানেন সমাজে কে অপরাধী। কে মাদক সম্রাট। তাই এসব অপরাধীসহ মাদক সম্রাটদের দ্রুত গ্রেফতার পুর্বক চারঘাটকে মাদক মুক্ত করার নীতি গ্রহন করুন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাহাতুল করীম মিজান, চারঘাট মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী,উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল,যুগ্ম সম্পাদক
শাহিনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাসুদ রানা,জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির হোসেন মুকুট,পৌর বিএনপির সভাপতি মোমিনুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক নজমুল হক,যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালেক আদিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুর রহমান প্রমুখ।
জ্বলাবদ্ধতার মুল কারন হচ্ছে অপরিকল্পিত ভাবে গত কয়েক বছর ধরে চারঘাটে অবৈধ ভাবে খনন করা হয়েছে শতশত পুকুর। এই পুকুর খননের কারনেই আজ চারঘাটে জ্বলাবদ্ধতা মারাক্তক আকার ধারন করেছে। আমি চাই আর একটি জমিতে যেন অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করা না হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য আবু সাইদ চাঁদ এসব কথা বলেন।
তিনি স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দ্যেশে বলেন, আপনারা কোন ভাবেই চারঘাটে আজ থেকে একটি অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করতে দিবেন না। যতো বড়ই ক্ষতাধর ব্যাক্তিই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথা আইনী ব্যবস্থা নিতে একটুও পিছপা হবেন না।
এছাড়াও চারঘাট-বাঘায় আরো একটি সমস্যা রয়েছে জটিল সমস্যা। সেটি হলো মাদক। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করতে হবে। আমার দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন নেতা মাদকের তদবির করলে তাকেও আইনের আওতায় আনবেন।
মনে রাখবেন, আমি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের ও উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি জানি পুলিশ প্রশাসন সৎ, ন্যায়, নিষ্টা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে চারঘাট-বাঘাকে মাদক মুক্ত উপজেলা গড়া সময়ের ব্যাপার।
তবে শষ্যের মধ্যে ভুত থাকলে সম্ভব নয়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশকে কঠোর ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন সাংসদ আবু সাইদ চাঁদ।
তিনি আরও বলেন, আপনি ও আপনার অফিসাররা জানেন সমাজে কে অপরাধী। কে মাদক সম্রাট। তাই এসব অপরাধীসহ মাদক সম্রাটদের দ্রুত গ্রেফতার পুর্বক চারঘাটকে মাদক মুক্ত করার নীতি গ্রহন করুন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাহাতুল করীম মিজান, চারঘাট মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী,উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল,যুগ্ম সম্পাদক
শাহিনুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাসুদ রানা,জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির হোসেন মুকুট,পৌর বিএনপির সভাপতি মোমিনুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক নজমুল হক,যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালেক আদিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুর রহমান প্রমুখ।