রাজশাহীর তানোরে মৎস্যচাষের নামে সংযোগ নিয়ে পুকুর ইজারা ও সেই মটর থেকে অবৈধ সেচ বাণিজ্যে কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অবৈধ সেচ বাণিজ্যে বন্ধে। এই মটরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা না হলে, যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে কৃষকেরা শঙ্কা প্রকাশ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ৭০, মৌজা পাঁচন্দর ও ৩৬৬ নম্বর দাগে পুকুর সেচ বলে আওয়ামী লীগ আমলে প্রভাব খাটিয়ে সংযোগ নেন মুন্ডুমালার মৃত রহিম সরদারের পুত্র সিদ্দিক।অথচ তিনি নিজে পুকুর মাছ চাষ না করে ইজারা দিয়ে গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় অবৈধ সেচ বাণিজ্য করছেন। আর এই সংযোগ নিতে ফসলি জমির উপর দিয়ে বাঁশের খুঁটিতে চরম ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের তার নিয়ে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মুন্ডুমালা এলাকার মৃত রহিম সর্দারের পুত্র সিদ্দিক পাঁচন্দর মৌজায় গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় একটি পুকুর পাড়ে মৎস্যচাষের নামে মিনি ডিপ (মটর) স্থাপন করেছেন। কিন্ত্ত নীতিমালা লঙ্ঘন করে স্কীমে সেচ বাণিজ্যে করছেন। ব্যক্তিগত মটর হওয়ায় তিনি নিজের ইচ্ছেমতো সেচ চার্জ আদায় করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক জানান, ড্রেন মেরামত, ভোল্টেজ বাড়ানো নানা অজুহাতে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।এতে কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।তবে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছেন না। কেউ প্রতিবাদ করলে তার জমিতে সেচ দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান তানোর পল্লী বিদ্যুৎ যথারীতি এসব অবৈধ মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে জরিমানার নামে বাণিজ্য করছে। অথচ সেচ নীতিমলা অনুয়ায়ী খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া হলে সেই মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কথা।
এসব অবৈধ মটরের কারণে বিএমডিএ’র অধিকাংশ গভীর নলকুপ লেয়ার ফেল করে অকেজো হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী জামিনুর রহমান বলেন, গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় সেচ মটর স্থাপনের কোনো সুযোগ নাই আর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না এমনকি খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না। এব্যাপারে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তানোর এরিয়া ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন বলেন, মৎস্য, শিল্প বা খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না।তিনি বলেন,ইতিমধ্যে এলাকায় এবিষয়ে মাইকিং করা হয়েছে, তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে।এবিষয়ে সিদ্দিক বলেন, তেমন সেচ দেয়া হয় না, মাঝে মাঝে সেচ দেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর ৭০, মৌজা পাঁচন্দর ও ৩৬৬ নম্বর দাগে পুকুর সেচ বলে আওয়ামী লীগ আমলে প্রভাব খাটিয়ে সংযোগ নেন মুন্ডুমালার মৃত রহিম সরদারের পুত্র সিদ্দিক।অথচ তিনি নিজে পুকুর মাছ চাষ না করে ইজারা দিয়ে গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় অবৈধ সেচ বাণিজ্য করছেন। আর এই সংযোগ নিতে ফসলি জমির উপর দিয়ে বাঁশের খুঁটিতে চরম ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের তার নিয়ে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মুন্ডুমালা এলাকার মৃত রহিম সর্দারের পুত্র সিদ্দিক পাঁচন্দর মৌজায় গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় একটি পুকুর পাড়ে মৎস্যচাষের নামে মিনি ডিপ (মটর) স্থাপন করেছেন। কিন্ত্ত নীতিমালা লঙ্ঘন করে স্কীমে সেচ বাণিজ্যে করছেন। ব্যক্তিগত মটর হওয়ায় তিনি নিজের ইচ্ছেমতো সেচ চার্জ আদায় করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক জানান, ড্রেন মেরামত, ভোল্টেজ বাড়ানো নানা অজুহাতে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।এতে কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।তবে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছেন না। কেউ প্রতিবাদ করলে তার জমিতে সেচ দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান তানোর পল্লী বিদ্যুৎ যথারীতি এসব অবৈধ মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে জরিমানার নামে বাণিজ্য করছে। অথচ সেচ নীতিমলা অনুয়ায়ী খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া হলে সেই মটরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কথা।
এসব অবৈধ মটরের কারণে বিএমডিএ’র অধিকাংশ গভীর নলকুপ লেয়ার ফেল করে অকেজো হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী জামিনুর রহমান বলেন, গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় সেচ মটর স্থাপনের কোনো সুযোগ নাই আর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না এমনকি খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না। এব্যাপারে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তানোর এরিয়া ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন বলেন, মৎস্য, শিল্প বা খাবার পানির মটর থেকে কৃষি জমিতে সেচ দেয়া যাবে না।তিনি বলেন,ইতিমধ্যে এলাকায় এবিষয়ে মাইকিং করা হয়েছে, তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে।এবিষয়ে সিদ্দিক বলেন, তেমন সেচ দেয়া হয় না, মাঝে মাঝে সেচ দেয়া হয়।