রাজশাহী সদর আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু ভূমিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় নগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিকেলে শপথ গ্রহণের পরপরই মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে অভিনন্দনের জোয়ার লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ তালিকায় মিনুর নাম প্রকাশের পর থেকেই রাজশাহীর রাজপথ ও অলিগলিতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথের পরপরই রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন-এর নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পথচারী, রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই মিনুকে গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় দলকে সংগঠিত করতে ভূমিকা রেখেছেন।
সাহেববাজার এলাকার এক প্রবীণ ব্যবসায়ী বলেন, দীর্ঘদিন পর রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে একজন যোগ্য অভিভাবক পেল। মেয়র থাকাকালে মিনু রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করেছিলেন। ভূমিমন্ত্রী হিসেবে তিনি সারাদেশে ভূমি সেবায় শৃঙ্খলা আনবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
রাজশাহীবাসীর আশা, মিনু দায়িত্ব নেওয়ায় নগরীর ঝুলে থাকা ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ের মানুষের ভূমি স্বত্ব-সংক্রান্ত দাবিগুলো বাস্তবায়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে অনেকেই মত দিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, রাজশাহী মহানগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সরকারের সময় প্রয়াত এমরান আলী সরকার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী সদর থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেও এবার মিনুকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করায় তারা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাদের প্রত্যাশা, রাজশাহীসহ সারাদেশের উন্নয়ন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নতুন ভূমিমন্ত্রী কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।
মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ তালিকায় মিনুর নাম প্রকাশের পর থেকেই রাজশাহীর রাজপথ ও অলিগলিতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথের পরপরই রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন-এর নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পথচারী, রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই মিনুকে গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় দলকে সংগঠিত করতে ভূমিকা রেখেছেন।
সাহেববাজার এলাকার এক প্রবীণ ব্যবসায়ী বলেন, দীর্ঘদিন পর রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে একজন যোগ্য অভিভাবক পেল। মেয়র থাকাকালে মিনু রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করেছিলেন। ভূমিমন্ত্রী হিসেবে তিনি সারাদেশে ভূমি সেবায় শৃঙ্খলা আনবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
রাজশাহীবাসীর আশা, মিনু দায়িত্ব নেওয়ায় নগরীর ঝুলে থাকা ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ের মানুষের ভূমি স্বত্ব-সংক্রান্ত দাবিগুলো বাস্তবায়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে অনেকেই মত দিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, রাজশাহী মহানগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সরকারের সময় প্রয়াত এমরান আলী সরকার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী সদর থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেও এবার মিনুকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করায় তারা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাদের প্রত্যাশা, রাজশাহীসহ সারাদেশের উন্নয়ন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নতুন ভূমিমন্ত্রী কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।