রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার রাইঘাটি ইউনিয়নের হাটরা গ্রামে আমবাগান উচ্ছেদ করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বরাদ্দের ১৮ লাখ টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় এ কাজ করা হচ্ছে। তবে ইউনিয়ন প্রশাসন বলছে, সরকারি পুকুর থেকে মাটি নিয়ে হাটে ভরাটের কথা থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে পুকুর খননের নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাটরা গ্রামে সম্প্রতি একটি আমবাগান উচ্ছেদ করে পুকুর খনন শুরু হয়। একই সঙ্গে কামারপাড়া হাটে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, রাইঘাটি ইউনিয়নের আওতায় দুটি কাজের জন্য মোট ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
ভেকু (খননযন্ত্র) মালিক রবিউল ইসলাম দাবি করেন, এটি রাইঘাটি ইউনিয়নের সরকারি কাজ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাইঘাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সামিম ইমাম বলেন, সরকারি বরাদ্দের ১৮ লাখ টাকায় আমরা ভেকু মালিক রবিউল ইসলামের কাছ থেকে মাটি কিনছি। তাকে আমি পুকুর খনন করতে বলিনি। আমি টিওনোকে বলেছি, সরকারি পুকুর থেকে মাটি এনে হাটে ভরাট করতে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত জমিতে পুকুর খননের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
তবে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সরকারি পুকুর থেকেই মাটি নেওয়ার কথা থাকে, তাহলে ব্যক্তিগত আমবাগান উচ্ছেদ করে পুকুর খনন কেন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাটরা গ্রামে সম্প্রতি একটি আমবাগান উচ্ছেদ করে পুকুর খনন শুরু হয়। একই সঙ্গে কামারপাড়া হাটে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, রাইঘাটি ইউনিয়নের আওতায় দুটি কাজের জন্য মোট ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
ভেকু (খননযন্ত্র) মালিক রবিউল ইসলাম দাবি করেন, এটি রাইঘাটি ইউনিয়নের সরকারি কাজ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাইঘাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সামিম ইমাম বলেন, সরকারি বরাদ্দের ১৮ লাখ টাকায় আমরা ভেকু মালিক রবিউল ইসলামের কাছ থেকে মাটি কিনছি। তাকে আমি পুকুর খনন করতে বলিনি। আমি টিওনোকে বলেছি, সরকারি পুকুর থেকে মাটি এনে হাটে ভরাট করতে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত জমিতে পুকুর খননের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
তবে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সরকারি পুকুর থেকেই মাটি নেওয়ার কথা থাকে, তাহলে ব্যক্তিগত আমবাগান উচ্ছেদ করে পুকুর খনন কেন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন।