নওগাঁর ধামইরহাটে খাসির মাংসের নামে কুকুরের মাংস বিক্রির চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত কসাই এনতাজুল ইসলামকে (৫৫) আটক করে পিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার নানাইচ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকালে এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মিয়া খাসির মাংস হিসেবে বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশে নির্জন একটি আলুক্ষেতে কুকুর জবাই করে মাংস প্রস্তুত করছিলেন। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে গেলে জনরোষের ভয়ে মাংস ও অবশিষ্টাংশ ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২৫ কেজি মাংস, কুকুরের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই এনতাজুল আত্মগোপনে ছিলেন। পরে সোমবার সন্ধ্যায় নানাইচ এলাকায় তাকে একা দেখতে পেয়ে চিনে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাৎক্ষণিক তাকে আটক করে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
, ধামইরহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান- আটক এনতাজুল জনতার হাতে মারধরের শিকার হয়ে আহত ছিলেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে। চিকিৎসা শেষে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তার সহযোগী দুলু মিয়া এখনও পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনস্বাস্থ্যের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাহস দেখাতে না পারে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার নানাইচ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকালে এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মিয়া খাসির মাংস হিসেবে বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশে নির্জন একটি আলুক্ষেতে কুকুর জবাই করে মাংস প্রস্তুত করছিলেন। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে গেলে জনরোষের ভয়ে মাংস ও অবশিষ্টাংশ ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২৫ কেজি মাংস, কুকুরের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই এনতাজুল আত্মগোপনে ছিলেন। পরে সোমবার সন্ধ্যায় নানাইচ এলাকায় তাকে একা দেখতে পেয়ে চিনে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাৎক্ষণিক তাকে আটক করে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
, ধামইরহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান- আটক এনতাজুল জনতার হাতে মারধরের শিকার হয়ে আহত ছিলেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে। চিকিৎসা শেষে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তার সহযোগী দুলু মিয়া এখনও পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনস্বাস্থ্যের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাহস দেখাতে না পারে।