নওগাঁ শহরে আরিফুল ইসলাম রনক (৩২) নামে এক সাংবাদিককে মারধর করে তাঁর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া এবং পত্রিকা অফিসে আটকে রেখে বাইরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শহরের তাজের মোড় এলাকার আকন্দ মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রনক, তিনি বর্তমানে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত আরিফুল ইসলাম রনক দৈনিক দেশ রূপান্তরের রাণীনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং নওগাঁ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি শহরের চকরামপুর এলাকায়।
ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তাজের মোড়ে আকন্দ মার্কেটের একটি দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে দোকানদার রায়হান রানা ও শুভ (৪০) নামের এক ব্যক্তির মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় তিনি বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার অফিসে অবস্থান করছিলেন। শোরগোল শুনে বাইরে এসে ঘটনার ভিডিও ধারণ করলে শুভ ও সেতু নামের দুই ব্যক্তি তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে মোটরসাইকেলের মালিক শুভ ও স্থানীয় বাসিন্দা সেতুর নেতৃত্বে ১৫-১৬ জন যুবক সংঘবদ্ধভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল।
তিনি জানান, হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়িভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পত্রিকা অফিসে ঢুকলে তাঁকে ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অফিসের সামনে রাখা তাঁর পালসার ব্র্যান্ডের একটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বলেন, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমার সহকর্মী আরিফুল ইসলাম রনক পরিস্থিতি থামাতে গিয়েছিলেন। পরে মোটরসাইকেলের মালিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁকে অফিসে আটকে রেখে বাইরে তালা লাগানো হয় এবং তাঁর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যপারে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, তাজের মোড় আকন্দ মার্কেটে দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আরিফুল ইসলাম ও শুভ নামের দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে শহরের তাজের মোড় এলাকার আকন্দ মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রনক, তিনি বর্তমানে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত আরিফুল ইসলাম রনক দৈনিক দেশ রূপান্তরের রাণীনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং নওগাঁ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি শহরের চকরামপুর এলাকায়।
ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তাজের মোড়ে আকন্দ মার্কেটের একটি দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে দোকানদার রায়হান রানা ও শুভ (৪০) নামের এক ব্যক্তির মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় তিনি বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার অফিসে অবস্থান করছিলেন। শোরগোল শুনে বাইরে এসে ঘটনার ভিডিও ধারণ করলে শুভ ও সেতু নামের দুই ব্যক্তি তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে মোটরসাইকেলের মালিক শুভ ও স্থানীয় বাসিন্দা সেতুর নেতৃত্বে ১৫-১৬ জন যুবক সংঘবদ্ধভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল।
তিনি জানান, হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়িভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পত্রিকা অফিসে ঢুকলে তাঁকে ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অফিসের সামনে রাখা তাঁর পালসার ব্র্যান্ডের একটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
দৈনিক বরেন্দ্রকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বলেন, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমার সহকর্মী আরিফুল ইসলাম রনক পরিস্থিতি থামাতে গিয়েছিলেন। পরে মোটরসাইকেলের মালিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে তাঁর ওপর হামলা চালায়। তাঁকে অফিসে আটকে রেখে বাইরে তালা লাগানো হয় এবং তাঁর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যপারে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, তাজের মোড় আকন্দ মার্কেটে দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আরিফুল ইসলাম ও শুভ নামের দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।