লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার এক প্রবাসী পরিবারের চার সদস্যসহ পাঁচ বাংলাদেশি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে জেদ্দা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুলছাত্রী মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী কন্যা সুবহা আক্তার। এ ছাড়া প্রাইভেটকারের চালক বাবর (২৬) নিহত হয়েছেন। তিনি একই ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে। দুর্ঘটনায় মিজানের মেজ মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুতর আহত হয়ে জেদ্দার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমবার সন্ধ্যায় নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মিজান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে সৌদি আরবে যান। পাঁচ দিন আগে তারা ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। ওমরা শেষে রোববার রাতে জেদ্দা থেকে ফেরার পথে তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
নিহত মিজানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম জানান, পাশের গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন নিহত মিজানের বাবা শহীদ উল্যাহ। স্বজনদের আহাজারিতে নলচরা ও বিষ্ণুপুর গ্রামে চলছে মাতম।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে পাঁচজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
নিহতরা হলেন, রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুলছাত্রী মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী কন্যা সুবহা আক্তার। এ ছাড়া প্রাইভেটকারের চালক বাবর (২৬) নিহত হয়েছেন। তিনি একই ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে। দুর্ঘটনায় মিজানের মেজ মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুতর আহত হয়ে জেদ্দার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমবার সন্ধ্যায় নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মিজান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে সৌদি আরবে যান। পাঁচ দিন আগে তারা ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। ওমরা শেষে রোববার রাতে জেদ্দা থেকে ফেরার পথে তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
নিহত মিজানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম জানান, পাশের গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন নিহত মিজানের বাবা শহীদ উল্যাহ। স্বজনদের আহাজারিতে নলচরা ও বিষ্ণুপুর গ্রামে চলছে মাতম।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে পাঁচজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।