জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের ধানাইদহ গ্রামে ভাঙচুরের শিকার অন্তত ১১টি বাড়ি মেরামতের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এর নির্দেশে বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এমপি প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধানাইদহ গ্রামের নিরীহ বাসিন্দাদের অন্তত ১১টি বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্ভোগে পড়ে।
বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে আব্দুল হাকিম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ঘোষণা দেন, ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো ঘর মেরামতের দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী নেবে।
তিনি বলেন, ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার প্রয়োগের কারণে কাউকে নিপীড়নের শিকার হতে হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বড়াইগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, স্থানীয় নেতা মোজাম্মেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তবে দলীয় নেতাদের সরেজমিন উপস্থিতি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর মেরামতের ঘোষণায় তারা কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধানাইদহ গ্রামের নিরীহ বাসিন্দাদের অন্তত ১১টি বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্ভোগে পড়ে।
বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে আব্দুল হাকিম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ঘোষণা দেন, ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো ঘর মেরামতের দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী নেবে।
তিনি বলেন, ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার প্রয়োগের কারণে কাউকে নিপীড়নের শিকার হতে হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বড়াইগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, স্থানীয় নেতা মোজাম্মেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তবে দলীয় নেতাদের সরেজমিন উপস্থিতি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর মেরামতের ঘোষণায় তারা কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।