রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় প্রেম করে বিয়ে করার কারণে স্ত্রীর খালুর ধাওয়া খেয়ে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবক।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত শহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগান এলাকায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে একটি বাসায় থাকতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে ঢাকা আসেন এবং কলাবাগানে শহিদুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় ওঠেন। পরবর্তীতে রফিকুল ইসলাম তাদের উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন।
বিয়ের খবর পেয়ে মেয়ের পরিবার রফিকুলের বাসার নিচে এসে অবস্থান নেয়। শহিদুল বাসার নিচে নামলে স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের দেখতে পান। এসময় স্ত্রীর খালু তার পিছু নিলে তিনি ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে থাকেন। একপর্যায়ে শহিদুল পাশের একটি ভবনে লাফ দিয়ে চলে যান। পরে দ্বিতীয় ভবনটি পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে হাসির সঙ্গে শহিদুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মেয়ের বয়স কম হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত শহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার দক্ষিণ মাঝপাড়া গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে। তিনি কলাবাগান থানার কাঁঠালবাগান এলাকায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে একটি বাসায় থাকতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের হাসি (১৪) নামে এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে ঢাকা আসেন এবং কলাবাগানে শহিদুলের বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বাসায় ওঠেন। পরবর্তীতে রফিকুল ইসলাম তাদের উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন।
বিয়ের খবর পেয়ে মেয়ের পরিবার রফিকুলের বাসার নিচে এসে অবস্থান নেয়। শহিদুল বাসার নিচে নামলে স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের দেখতে পান। এসময় স্ত্রীর খালু তার পিছু নিলে তিনি ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে থাকেন। একপর্যায়ে শহিদুল পাশের একটি ভবনে লাফ দিয়ে চলে যান। পরে দ্বিতীয় ভবনটি পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে হাসির সঙ্গে শহিদুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মেয়ের বয়স কম হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।