রাজশাহীর অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম আমিনের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজশাহীর গণমাধ্যম অঙ্গনে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।
আমিনুল ইসলাম ছিলেন রাজশাহী মহানগরীর সালবাগান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা করে আসছিলেন। সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক সাংবাদিকতার জন্য তিনি রাজশাহীর সংবাদ জগতে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।
বাদ আসর গোরহাঙ্গা জামে মসজিদে জানাজা ও পরে গোরহাঙ্গা কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২জন স্ত্রী, সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি আব্দুল মুগনী নীরো ও সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা জামান বলেন, “সাংবাদিক জুয়েল আহমেদ ছিলেন একজন অক্লান্ত পরিশ্রমী ও নির্ভীক সংবাদকর্মী। রাজশাহীর মাটি ও মানুষের গল্প তিনি তুলে ধরতেন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে। তার অকাল প্রয়াণে রাজশাহীর সংবাদ অঙ্গন এক সৎ, নীতিবান ও আন্তরিক সহকর্মীকে হারালো।”
তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সহকর্মীরা জানান, জুয়েল আহমেদ ছিলেন একজন হাস্যোজ্জ্বল ও সহৃদয় মানুষ, যিনি সবসময় অন্যের পাশে দাঁড়াতেন। রাজশাহী রিভার সিটি প্রেসক্লাব সদস্যদের মতে, তার মতো নিবেদিত সাংবাদিক খুব সহজে পাওয়া যায় না — তার অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হবে রাজশাহীর সংবাদ পরিবারে।
আল্লাহ তায়ালা মরহুমের আত্মাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকাহত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দিন — আমিন।