রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ শুরু হয়ে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত শান্তিপুর্ন ভাবে সম্পন্ন হয়েছে ভোট। তবে এ সময়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি সব চাইতে বেশী। তবে সকালের দিকে পুরুষ ভোটাররা কম উপস্থিতি থাকলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। অনেকেই বলেছেন ফজরের নামাজ শেষ করেই চলে আসছি ভোট দিতে। আগে ভাগে ভোট দিবার ইচ্ছা শক্তিতেই আসছি । এ দিকে এক সময় ভোট বর্জনের জন্য দেশ ব্যাপী ব্যাপক আলোচিত ভোট কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়া চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।এ কেন্দ্রে এবার কেমন পড়ে ভোট। তবে সকাল থেকেই দেখা গেছে এ কেন্দ্রে নারী পুরুষ সমান তালেই ভীড় জমিয়েছিল ভোট কেন্দ্র। বিকেলে ভোট শেস হলে জানা যায় এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৫৮৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২হাজার ৮২৬ ভোট । ফলে ভোট বর্জনের কেন্দ্রে লেগেছিল ভোট উৎসবের আমেজ।
চারঘাট-বাঘা আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলত বিএনপি প্রার্থী আবু সাইদ চঁাদ সঙ্গে মুলত লড়াই হবে জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হকের মধ্যে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথম ভোটটি দেন আবু সাইদ চঁাদ। এর পর পরই দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে ভোট দেন অন্য ভোটাররা।অন্যদিকে একই ইউনিয়নের শলুয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে সকাল ১০ টায় ভোট দেন জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হক।
শলুয়ারইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জানান, মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৮৩ জন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পররাষ্টট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার ক্ষমতা কালিন সময়ে বিএনপিসহ অনান্য দল ভোট বর্জন করলে একজন মানুষও ভোট দিতে আসছিল না কেউ । প্রশাসনসহ ফ্যাসিষ্ট সরকারের সব ধরনের চালিকা শক্তি প্রয়োগ করেও কোন ভোটারকে দিয়ে একটি ভোটও দেযাতে পারেনি। ফলে ওই সময় সারা দেশে ব্যাপক আলোচিত হয় মাড়িযা সরকারী প্রাথীমক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রটি।এরপর থেকে এ অঞ্চলের মানুষ আর ভোট দেয়নি। তবে এবারের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে দেখা গেছে ভোটাররা চরম উৎসাহ, উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে ভোট উৎসব করে ভোট দিয়েছেন।
যার উদাহরন এবারের ভোটে এ কেন্দ্রে ৩হাজার ৫৮৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৮২৬ জন।
ভোট দিতে আসা আব্দুল রফিক বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাড়িয়া গ্রামের মানুষ ভোট দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্র প্রািতমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ক্ষমতাকালিন সময়ে ২০১৪ সালে একেন্দ্রে একজন মানুষ আসেনি ভোট দিকে।
সারা দেশের মধ্যে একটি ভোট কেন্দ্র মাড়িয়ায় কোন ভোট পড়েনি। কিন্তু এবারভোট উৎসব চলছে। ভোর থেকে লাইনে দাড়িয়ে উৎসবের আমেজেই ভোট তিয়েছেন ভোটাররা।
মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের ভাষ্য, সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। এই কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থী আবু সাইদ চঁাদ বলেন, এই গ্রামের মানুষ ভোট বর্জনের সধ্যে দিয়ে বয়কট করেছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে। তবে এবারের নির্বাচনে ভোরথেকে মানুষ এসে লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিয়ে প্রমান করলো এ গ্রামের মানুষ শান্তিপ্রিয় মানুষ।এ কেন্দ্র ছাড়াও চারঘাট-বাঘা জুড়েই ছিল ভোট উৎসবের আমেজ। আমি শতভাগ আশা করি সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো ইনশাল্লাহ।
শলুয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হক জানান,এবারের ভোট শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে তিনিও শতভাগ আশা করছেন জয়ের ব্যাপারে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ শুরু হয়ে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত শান্তিপুর্ন ভাবে সম্পন্ন হয়েছে ভোট। তবে এ সময়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি সব চাইতে বেশী। তবে সকালের দিকে পুরুষ ভোটাররা কম উপস্থিতি থাকলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। অনেকেই বলেছেন ফজরের নামাজ শেষ করেই চলে আসছি ভোট দিতে। আগে ভাগে ভোট দিবার ইচ্ছা শক্তিতেই আসছি । এ দিকে এক সময় ভোট বর্জনের জন্য দেশ ব্যাপী ব্যাপক আলোচিত ভোট কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়া চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।এ কেন্দ্রে এবার কেমন পড়ে ভোট। তবে সকাল থেকেই দেখা গেছে এ কেন্দ্রে নারী পুরুষ সমান তালেই ভীড় জমিয়েছিল ভোট কেন্দ্র। বিকেলে ভোট শেস হলে জানা যায় এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৫৮৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২হাজার ৮২৬ ভোট । ফলে ভোট বর্জনের কেন্দ্রে লেগেছিল ভোট উৎসবের আমেজ।
চারঘাট-বাঘা আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলত বিএনপি প্রার্থী আবু সাইদ চঁাদ সঙ্গে মুলত লড়াই হবে জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হকের মধ্যে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথম ভোটটি দেন আবু সাইদ চঁাদ। এর পর পরই দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে ভোট দেন অন্য ভোটাররা।অন্যদিকে একই ইউনিয়নের শলুয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে সকাল ১০ টায় ভোট দেন জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হক।
শলুয়ারইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জানান, মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৮৩ জন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পররাষ্টট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার ক্ষমতা কালিন সময়ে বিএনপিসহ অনান্য দল ভোট বর্জন করলে একজন মানুষও ভোট দিতে আসছিল না কেউ । প্রশাসনসহ ফ্যাসিষ্ট সরকারের সব ধরনের চালিকা শক্তি প্রয়োগ করেও কোন ভোটারকে দিয়ে একটি ভোটও দেযাতে পারেনি। ফলে ওই সময় সারা দেশে ব্যাপক আলোচিত হয় মাড়িযা সরকারী প্রাথীমক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রটি।এরপর থেকে এ অঞ্চলের মানুষ আর ভোট দেয়নি। তবে এবারের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে দেখা গেছে ভোটাররা চরম উৎসাহ, উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে ভোট উৎসব করে ভোট দিয়েছেন।
যার উদাহরন এবারের ভোটে এ কেন্দ্রে ৩হাজার ৫৮৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৮২৬ জন।
ভোট দিতে আসা আব্দুল রফিক বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাড়িয়া গ্রামের মানুষ ভোট দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্র প্রািতমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ক্ষমতাকালিন সময়ে ২০১৪ সালে একেন্দ্রে একজন মানুষ আসেনি ভোট দিকে।
সারা দেশের মধ্যে একটি ভোট কেন্দ্র মাড়িয়ায় কোন ভোট পড়েনি। কিন্তু এবারভোট উৎসব চলছে। ভোর থেকে লাইনে দাড়িয়ে উৎসবের আমেজেই ভোট তিয়েছেন ভোটাররা।
মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের ভাষ্য, সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। এই কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থী আবু সাইদ চঁাদ বলেন, এই গ্রামের মানুষ ভোট বর্জনের সধ্যে দিয়ে বয়কট করেছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে। তবে এবারের নির্বাচনে ভোরথেকে মানুষ এসে লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিয়ে প্রমান করলো এ গ্রামের মানুষ শান্তিপ্রিয় মানুষ।এ কেন্দ্র ছাড়াও চারঘাট-বাঘা জুড়েই ছিল ভোট উৎসবের আমেজ। আমি শতভাগ আশা করি সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো ইনশাল্লাহ।
শলুয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হক জানান,এবারের ভোট শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে তিনিও শতভাগ আশা করছেন জয়ের ব্যাপারে।