আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শত ব্যস্ততার মাঝেও মানবিক দায়িত্ব ভুলে যাননি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মানবিক সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ। গভীর রাতে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে শীতার্ত ও অসহায় পরিবারের হাতে কম্বল ও শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে অসহায় শীতার্তদের মাঝে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এদিন প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের কাছে তিনি সরাসরি উপস্থিত হয়ে এসব শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন।
'হারবে শীত' জিতবে মানবতা'এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এসিল্যান্ড শিবু দাশ,এখানে যোগদানের পর থেকেই সমাজের অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠীর মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে আসছেন।
শীতবস্ত্র পেয়ে বাক্কার নামের একজন বলেন, ‘রাতে ঘরের মানুষ শীতে কাঁপে, ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। এখনো প্রচুর শীত পড়ে। আগে দেখেছি, কম্বল চেয়েও পাওয়া যেতো না। কিন্তু আজ স্যার নিজেই আমার বাসায় কম্বল নিয়ে এসেছেন। আজ মনে হচ্ছে, কেউ আমাদের কথা ভাবছে। স্যার আসার পর মনটা খুশিতে ভরে গেছে। তিনি বলেন,এমন সরকারি কর্মকর্তা যেখানে যাবেন সেখানে সমাজের অসহায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে।
এদিকে রোজিনা নামের এক গৃহিণী বলেন, ‘আমাদের ঘরে একটাই কম্বল ছিল, সেটাও পুরোনো। নতুন কেনার টাকাও নেই। আজ এসিল্যান্ড স্যার নিজে এসে কম্বল দিয়ে গেলেন। আমরা তো এমন মানুষই সব সময় চাই।
নিতাই নামের আরেকজন বলেন, ‘সরকারি জিনিস পাওয়া যায় না। লাইনে দাঁড়িয়েও পাই না। কিন্তু স্যার যেভাবে এলাকার মানুষের কথা ভাবছেন, সেটা দেখে ভালো লাগছে। তিনি চাইলে রাতে না এলেও পারতেন। এত কাজের মাঝেও আমাদের জন্য এসেছেন এটা সত্যিই ভালো লাগার।
এ বিষয়ে পুঠিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ বলেন, নির্বাচন নিয়ে প্রচণ্ড চাপ যাচ্ছে। দিনভর নির্বাচনী কাজ সামলাতে হয়। অফিস, লোকাল মার্কেট, মাঠ সব জায়গায় ঘুরতে হয়। সবই চাপের মধ্যে। কিন্তু রাতে যখন দেখি কেউ শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘুমানোর চেষ্টা করছে, তখন মনে হয়, আমার দায়িত্ব শুধু অফিসের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন মানুষের কষ্ট দেখলে নিজের ক্লান্তি, নিজের ব্যস্ততা সব ভুলে যাই। আজ অন্তত এই কয়েকটি পরিবার যেন উষ্ণতায় ঘুমাতে পারে এটাই আমার সন্তুষ্টি।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোও এর অংশ। মানুষ কষ্টে থাকলে আমরা যদি সামান্য সাহায্যও করতে পারি, সেটাও বড় বিষয়। অনেকেই ভাবতে পারেন, রাতের এই সময়ে কাজ করা কঠিন। কিন্তু মানুষের জন্য সামান্য সময় বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শিবু দাশ বলেন, ‘আজ যখন তাদের চোখে উষ্ণতা আর মুখে হাসি দেখলাম, তখন মনে হলো আমরা সত্যিই তাদের পাশে আছি। মানুষের জীবনের ছোট ছোট কষ্টে এ ধরনের ছোট সহায়তাও বড় প্রভাব ফেলে। আমাদের কাজ শুধু নথি, রিপোর্ট বা কাগজপত্রে সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের জীবনের সঙ্গেও যুক্ত। আমি যত দিন এই এলাকায় আছি, তত দিন এই এলাকার মানুষ নিয়েই আমাকে ভাবতে হবে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের নীরবতা ভেদ করে হঠাৎ এসিল্যান্ড শিবু দাশের উপস্থিতি তাঁদের বিস্মিত করেছে। শুধু একটি কম্বল বা শীতবস্ত্র নয়, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক হয়েও রাতের আঁধারে ঘুরে ঘুরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত তাঁরা আগে কখনো দেখেননি। তাঁরা বলেন, সুবিধা-অসুবিধায় জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যিনি জরুরি সহায়তা দেন, এমন দায়িত্বশীল প্রশাসকই তাঁরা চান। এটি শুধু দায়িত্ব পালন নয়, বরং এই অঞ্চলের মানুষের প্রতি এসিল্যান্ডের ভালোবাসার প্রকাশ।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যেও মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের এমন মানবিক তৎপরতা অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে অসহায় শীতার্তদের মাঝে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এদিন প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের কাছে তিনি সরাসরি উপস্থিত হয়ে এসব শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন।
'হারবে শীত' জিতবে মানবতা'এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এসিল্যান্ড শিবু দাশ,এখানে যোগদানের পর থেকেই সমাজের অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত জনগোষ্ঠীর মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে আসছেন।
শীতবস্ত্র পেয়ে বাক্কার নামের একজন বলেন, ‘রাতে ঘরের মানুষ শীতে কাঁপে, ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। এখনো প্রচুর শীত পড়ে। আগে দেখেছি, কম্বল চেয়েও পাওয়া যেতো না। কিন্তু আজ স্যার নিজেই আমার বাসায় কম্বল নিয়ে এসেছেন। আজ মনে হচ্ছে, কেউ আমাদের কথা ভাবছে। স্যার আসার পর মনটা খুশিতে ভরে গেছে। তিনি বলেন,এমন সরকারি কর্মকর্তা যেখানে যাবেন সেখানে সমাজের অসহায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে।
এদিকে রোজিনা নামের এক গৃহিণী বলেন, ‘আমাদের ঘরে একটাই কম্বল ছিল, সেটাও পুরোনো। নতুন কেনার টাকাও নেই। আজ এসিল্যান্ড স্যার নিজে এসে কম্বল দিয়ে গেলেন। আমরা তো এমন মানুষই সব সময় চাই।
নিতাই নামের আরেকজন বলেন, ‘সরকারি জিনিস পাওয়া যায় না। লাইনে দাঁড়িয়েও পাই না। কিন্তু স্যার যেভাবে এলাকার মানুষের কথা ভাবছেন, সেটা দেখে ভালো লাগছে। তিনি চাইলে রাতে না এলেও পারতেন। এত কাজের মাঝেও আমাদের জন্য এসেছেন এটা সত্যিই ভালো লাগার।
এ বিষয়ে পুঠিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ বলেন, নির্বাচন নিয়ে প্রচণ্ড চাপ যাচ্ছে। দিনভর নির্বাচনী কাজ সামলাতে হয়। অফিস, লোকাল মার্কেট, মাঠ সব জায়গায় ঘুরতে হয়। সবই চাপের মধ্যে। কিন্তু রাতে যখন দেখি কেউ শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘুমানোর চেষ্টা করছে, তখন মনে হয়, আমার দায়িত্ব শুধু অফিসের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন মানুষের কষ্ট দেখলে নিজের ক্লান্তি, নিজের ব্যস্ততা সব ভুলে যাই। আজ অন্তত এই কয়েকটি পরিবার যেন উষ্ণতায় ঘুমাতে পারে এটাই আমার সন্তুষ্টি।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোও এর অংশ। মানুষ কষ্টে থাকলে আমরা যদি সামান্য সাহায্যও করতে পারি, সেটাও বড় বিষয়। অনেকেই ভাবতে পারেন, রাতের এই সময়ে কাজ করা কঠিন। কিন্তু মানুষের জন্য সামান্য সময় বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শিবু দাশ বলেন, ‘আজ যখন তাদের চোখে উষ্ণতা আর মুখে হাসি দেখলাম, তখন মনে হলো আমরা সত্যিই তাদের পাশে আছি। মানুষের জীবনের ছোট ছোট কষ্টে এ ধরনের ছোট সহায়তাও বড় প্রভাব ফেলে। আমাদের কাজ শুধু নথি, রিপোর্ট বা কাগজপত্রে সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের জীবনের সঙ্গেও যুক্ত। আমি যত দিন এই এলাকায় আছি, তত দিন এই এলাকার মানুষ নিয়েই আমাকে ভাবতে হবে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের নীরবতা ভেদ করে হঠাৎ এসিল্যান্ড শিবু দাশের উপস্থিতি তাঁদের বিস্মিত করেছে। শুধু একটি কম্বল বা শীতবস্ত্র নয়, একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক হয়েও রাতের আঁধারে ঘুরে ঘুরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত তাঁরা আগে কখনো দেখেননি। তাঁরা বলেন, সুবিধা-অসুবিধায় জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যিনি জরুরি সহায়তা দেন, এমন দায়িত্বশীল প্রশাসকই তাঁরা চান। এটি শুধু দায়িত্ব পালন নয়, বরং এই অঞ্চলের মানুষের প্রতি এসিল্যান্ডের ভালোবাসার প্রকাশ।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যেও মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের এমন মানবিক তৎপরতা অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।