আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট - ২০২৬কে কেন্দ্র করে টানা সরকারি ছুটির সুযোগে রাজশাহীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটগ্রহণ পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতেই শহর ও গ্রামে মানুষজন প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে ও ভোট দিতে বাড়ি ফিরে ভিড় ও উত্তেজনার মধ্য দিয়ে দিনটি পার করছেন।
রাজশাহী নগরীর ধরমপুর এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ হোসেন বলেন, প্রায় এক বছর পর ঢাকাতে থেকে ছুটিতে রাজশাহীতে এসে ভোট দিতে পারছি। বাবা-মা ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালাম, এলাকায় সবাই ভোট নিয়ে উৎসবমুখর আলোচনায় ব্যস্ত।
স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি মোঃ আলম বলেন, কারখানা বন্ধ করে ভোট দিতে এলাম। এবার সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ সত্যিই চোখে পড়ার মতো। দেশের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পাবনা জেলার দুর্জয় খান বলেন, ১৬ বছর ভোট দিতে পারিনি, এবারের ভোটে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা থাকায় স্ত্রী তাসমিরা তাবাসসুম ও ছোট বোন মিস আনিসা আক্তারকে নিয়ে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা এলাকার নিজ বাড়িতে এসেছি। সকাল বেলায় কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব।
বুধবার থেকে নগরীর দোকানপাট বন্ধ ও রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখা গেছে। চিরচেনা ব্যস্ত নগরী আজ তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি হলেও পাড়া-মহল্লার চা দোকান ও রাস্তার মোড়গুলোতে হ্যাঁ-না ভোট নিয়ে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটের প্রভাব, প্রার্থী প্রতিক ও ভোটের পরিণতি নিয়ে বিভিন্ন মতামতও শোনা যাচ্ছে।
শিক্ষিত সচেতন ভোটাররা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও অনেকেই ভুল ধারণা ও অটল ধাঁধার মতো মতামতও ব্যক্ত করছেন। সর্বত্রই পূর্বে নিস্তব্ধ থাকা অনেক ভোটারের মুখে ভোট ও প্রার্থীদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শোনা যাচ্ছে। বিশেষত নারী ও শিশুদের মধ্যেও ভোট উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।
নগরীর মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড় ও সময় চত্বরে সাধারণত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের উপস্থিতি থাকলেও আজ বেশিরভাগ সময় রাস্তাঘাট শূন্যতার সাক্ষী হয়েছে।
এদিকে, দুপুর ১২টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, এবারের ভোট অত্যন্ত নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ হবে। প্রশাসন কোন পক্ষপাতিত্ব করছে না এবং কারো বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি এই মন্তব্য আজ বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে করেন।
রাজশাহী নগরীর ধরমপুর এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ হোসেন বলেন, প্রায় এক বছর পর ঢাকাতে থেকে ছুটিতে রাজশাহীতে এসে ভোট দিতে পারছি। বাবা-মা ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালাম, এলাকায় সবাই ভোট নিয়ে উৎসবমুখর আলোচনায় ব্যস্ত।
স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি মোঃ আলম বলেন, কারখানা বন্ধ করে ভোট দিতে এলাম। এবার সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ সত্যিই চোখে পড়ার মতো। দেশের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পাবনা জেলার দুর্জয় খান বলেন, ১৬ বছর ভোট দিতে পারিনি, এবারের ভোটে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা থাকায় স্ত্রী তাসমিরা তাবাসসুম ও ছোট বোন মিস আনিসা আক্তারকে নিয়ে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা এলাকার নিজ বাড়িতে এসেছি। সকাল বেলায় কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব।
বুধবার থেকে নগরীর দোকানপাট বন্ধ ও রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখা গেছে। চিরচেনা ব্যস্ত নগরী আজ তুলনামূলকভাবে নিরিবিলি হলেও পাড়া-মহল্লার চা দোকান ও রাস্তার মোড়গুলোতে হ্যাঁ-না ভোট নিয়ে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটের প্রভাব, প্রার্থী প্রতিক ও ভোটের পরিণতি নিয়ে বিভিন্ন মতামতও শোনা যাচ্ছে।
শিক্ষিত সচেতন ভোটাররা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও অনেকেই ভুল ধারণা ও অটল ধাঁধার মতো মতামতও ব্যক্ত করছেন। সর্বত্রই পূর্বে নিস্তব্ধ থাকা অনেক ভোটারের মুখে ভোট ও প্রার্থীদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শোনা যাচ্ছে। বিশেষত নারী ও শিশুদের মধ্যেও ভোট উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।
নগরীর মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড় ও সময় চত্বরে সাধারণত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের উপস্থিতি থাকলেও আজ বেশিরভাগ সময় রাস্তাঘাট শূন্যতার সাক্ষী হয়েছে।
এদিকে, দুপুর ১২টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, এবারের ভোট অত্যন্ত নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ হবে। প্রশাসন কোন পক্ষপাতিত্ব করছে না এবং কারো বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি এই মন্তব্য আজ বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে করেন।