রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, এবারের ভোট হবে অত্যন্ত নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ। ভোটগ্রহণ কাজে সম্পৃক্ত সদস্যরা অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। আমাদের কোনো পক্ষপাতিত্ব নাই, কারো প্রতি অনুরাগ বা বিরাগ নাই। কারো বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পেলে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বুধবার বেলা ১২টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
কমিশনার বলেন, প্রার্থী বা কর্মী যেই হোক, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আমরা ভোটকেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগ করব। যারা ভিন্ন চিন্তা করতে চায়, ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের সকল প্রকার অপচেষ্টা যে-কোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।
তিনি বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আমরা মিডিয়া সেল স্থাপন করেছি। বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মিডিয়া সেল পিআইডির মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিকট সরবরাহ করা হবে। গুজব প্রতিরোধে যে-কোনো ধরনের ঘটনা-দুর্ঘটনার তথ্য যদি আপনাদের কাছে থাকে, তাহলে আমাদের জানাতে পারেন। এটির সঠিকতা যাচাই-বাছাই করা হবে। এসময় ভুয়া সাংবাদিকদের যে-কোনো ধরনের অপতথ্য প্রচারের কাউন্টার হিসেবে কাজ করতে প্রকৃত সাংবাদিকদের আহবান জানান তিনি।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যথাযথ নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ৫ হাজার ২৬৬টি কেন্দ্রে সিসিটিভি এবং ২ হাজার ৩১৮টি বডিওর্ন ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। রাজশাহী বিভাগে ৫ হাজার ৫০৪টি ভোট কেন্দ্রে ২১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে বিভাগে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৬৬ জন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ হাজার সেনাবাহিনী, ৪ হাজার ১২৩ বিজিবি, ১৩ হাজার ৭৯৬ রেঞ্জ পুলিশ, ২ হাজার ৪০৫ আরএমপি, ১ হাজার ৬ র্যাব এবং ৭২ হাজার ৭৩৬ জন আনসার। প্রতি আসনে গড়ে ২ হাজার ৬৬৮ জন এবং প্রতি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতিতে প্রেস ব্রিফিং-এ রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক খন্দকার মো. শামীম হোসেন, আরএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় এনএসআই এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন, রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বুধবার বেলা ১২টায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
কমিশনার বলেন, প্রার্থী বা কর্মী যেই হোক, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আমরা ভোটকেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগ করব। যারা ভিন্ন চিন্তা করতে চায়, ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের সকল প্রকার অপচেষ্টা যে-কোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।
তিনি বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আমরা মিডিয়া সেল স্থাপন করেছি। বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মিডিয়া সেল পিআইডির মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিকট সরবরাহ করা হবে। গুজব প্রতিরোধে যে-কোনো ধরনের ঘটনা-দুর্ঘটনার তথ্য যদি আপনাদের কাছে থাকে, তাহলে আমাদের জানাতে পারেন। এটির সঠিকতা যাচাই-বাছাই করা হবে। এসময় ভুয়া সাংবাদিকদের যে-কোনো ধরনের অপতথ্য প্রচারের কাউন্টার হিসেবে কাজ করতে প্রকৃত সাংবাদিকদের আহবান জানান তিনি।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যথাযথ নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ৫ হাজার ২৬৬টি কেন্দ্রে সিসিটিভি এবং ২ হাজার ৩১৮টি বডিওর্ন ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। রাজশাহী বিভাগে ৫ হাজার ৫০৪টি ভোট কেন্দ্রে ২১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে বিভাগে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৬৬ জন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ হাজার সেনাবাহিনী, ৪ হাজার ১২৩ বিজিবি, ১৩ হাজার ৭৯৬ রেঞ্জ পুলিশ, ২ হাজার ৪০৫ আরএমপি, ১ হাজার ৬ র্যাব এবং ৭২ হাজার ৭৩৬ জন আনসার। প্রতি আসনে গড়ে ২ হাজার ৬৬৮ জন এবং প্রতি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতিতে প্রেস ব্রিফিং-এ রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক খন্দকার মো. শামীম হোসেন, আরএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় এনএসআই এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন, রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।