ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনি প্রক্রিয়া হবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিংয়ে সিইসি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ও বহুমাত্রিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপ এবং পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালায় সংশোধন এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা হয়েছে।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, দেশব্যাপী কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী। এতে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭০ লাখের বেশি। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এ কাজে জাতিসংঘসহ উন্নয়ন অংশীদাররা সহযোগিতা করেছে।
প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে নির্ধারিত শ্রেণির ভোটারদের জন্যও ডাক ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সিইসি জানান, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ থেকে শুরু করে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সামগ্রী পাঠানো এবং পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত। ভোটগ্রহণ হবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট শেষে কেন্দ্রেই গণনা ও ফল ঘোষণা করা হবে।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ৪৫টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধি, প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। এছাড়া দেশে ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থার ৪৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক ও ৬০ হাজারের বেশি সাংবাদিককে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সিইসি বলেন, শুরু থেকেই আমরা স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। কোনো বিচ্যুতি থাকলে তা চিহ্নিত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কমিশনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিংয়ে সিইসি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ও বহুমাত্রিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপ এবং পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালায় সংশোধন এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা হয়েছে।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, দেশব্যাপী কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী। এতে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭০ লাখের বেশি। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এ কাজে জাতিসংঘসহ উন্নয়ন অংশীদাররা সহযোগিতা করেছে।
প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে নির্ধারিত শ্রেণির ভোটারদের জন্যও ডাক ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সিইসি জানান, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ থেকে শুরু করে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সামগ্রী পাঠানো এবং পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত। ভোটগ্রহণ হবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট শেষে কেন্দ্রেই গণনা ও ফল ঘোষণা করা হবে।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ৪৫টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধি, প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। এছাড়া দেশে ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থার ৪৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক ও ৬০ হাজারের বেশি সাংবাদিককে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সিইসি বলেন, শুরু থেকেই আমরা স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। কোনো বিচ্যুতি থাকলে তা চিহ্নিত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কমিশনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।