ঢাকা রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
কমেছে পাটের দাম, কৃষকদের মধ্যে হতাশা
  • rajshahirsomoy dex
  • ২০২১-০৭-২৫ ১৩:৫৮:১৯
কমেছে পাটের দাম, কৃষকদের মধ্যে হতাশা

অনলাইন ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুতে পাটের দাম বৃদ্ধি পেলেও, ঈদের পরে হঠাৎ পাটের বাজারে দাম কমেছে। ঈদের আগে মণপ্রতি পাটের দাম ছিল সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা, যা বর্তমানে নেমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায়। এতে পাট চাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

যদিও বছরের শুরুতে পাটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল কিন্তু তাতে লাভ হয়েছিল সিন্ডিকেট এবং মধ্যস্বঃত্বভোগীদের। পাটের দাম বৃদ্ধির সময়ে কৃষকের হাতে পাট ছিল না। কিন্তু এখন যখন কৃষকের হাতে পাট আছে তখন পাটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

এতে করে কৃষক এবং পাট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেকে একত্রে ব্যবসা পরিবর্তনের চিন্তাও করছেন।

করোনাকালে পাট রপ্তানি বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্থানীয় পাটকলে পাট বিক্রি করতে হচ্ছে। যদিও স্থানীয় কারখানাগুলোতে পাটের চাহিদা রয়েছে কিন্তু তারা বেশি দাম দিয়ে পাট কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে কম দামেই কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পাট বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ পাট সংস্থার বরাতে জানা গেছে, ২০০৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পাটের বাজার খুব খারাপ যাচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে তাদের পেশা পরিবর্তন করেছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ঋণ মেটাতে না পারায় জেল পর্যন্ত খেটেছে। পাটের বাজার এভাবে অস্থিতিশীল থাকলে পাটের প্রতি কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের আগ্রহ হারাবে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

মাগুরার এক পাট চাষী জানান, গত সপ্তাহেও যে পাট তিনি মুন্ডিপ্রতি (৩৭ কেজিতে ১ মুন্ডি) ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ১৫ শ’ টাকায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাম কমার পরেও পাট কেনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

অন্যদিকে পূর্বে বাংলাদেশ থেকে ৩০টি দেশে পাট রপ্তানি হতো। এখন এই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ১৩টি তে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ভারতেই সবথেকে বেশি পাট রপ্তানি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ এবং ভারতের এই করোনা পরিস্থিতিতে সরকার পাট রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

রাজশাহীর সময় / জি আর

ইভ্যালির অফিস বন্ধ
কানাডার পোশাকের বাজার ধরতে চায় বাংলাদেশ
আধাঘণ্টায় সূচক বাড়লো ৭৪ পয়েন্ট, লেনদেন ছাড়ালো ৩০০ কোটি টাকা