ঢাকা মঙ্গলবার, জুলাই ২৭, ২০২১
গণপূর্ত বিভাগে আওয়ামী লীগ নেতাদের অস্ত্রের মহড়া, আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ
  • Rajshahir Somoy Desk
  • ২০২১-০৬-১৩ ২০:৩৩:৪৪
গণপূর্ত বিভাগে আওয়ামী লীগ নেতাদের অস্ত্রের মহড়া, আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ

অনলাইন ডেস্ক : পাবনায় গণপূর্ত ভবনে অস্ত্র নিয়ে ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতাদের মহড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার (১২ জুন) দিনগত রাতে অস্ত্র দুটি জব্দ করে সদর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে, আলোচিত এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও গণপূর্ত বিভাগের অভিযোগ না থাকায় কোনো মামলা হয়নি।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন দুপুরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ আর খান মামুন এবং জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালুর নেতৃত্বে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে গণপূর্ত ভবনে আসেন। আগতরা বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমকে খুঁজতে থাকেন। 

পুলিশ আরও জানায়, তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েই উপ সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের কক্ষে যান এবং কিছুক্ষণ পর তারা বের হয়ে যান। লিখিত অভিযোগ না থাকলেও নিজ উদ্যোগে ঘটনা তদন্তে নামে পুলিশ। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন হলে জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র গুলি জব্দ করে।

তবে, শোডাউন নয় নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র গুলি বহন করছিলেন বলে দাবী আওয়ামী লীগ নেতাদের। তদন্তে অস্ত্র আইনের শর্ত ভঙ্গ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

পাবনার পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান জানান, গত ৬ জুন রোববার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ ফারুক হোসেন ওরফে হাজী ফারুক, পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ আর খান মামুন ও পাবনা জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালুর নেতৃত্বে ৮-৯ জনের একদল ব্যক্তি ফিল্মি স্টাইলে শহরের ছাতিয়ানীতে অবস্থিত পাবনা গণপূর্ত অফিসে প্রবেশ করে। এদের মধ্যে মামুন ও লালুর শটগান ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে গণপূর্ত বিভাগ অভিযোগ না করায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে রোববার সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছ। ওঠে নিন্দার ঝড়। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতারা বিব্রত হলেও, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, এটি দলীয় কোনও বিষয় নয়। ঠিকাদার নেতাদের বিরুদ্ধে গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা আমার কাছেও কোনো অভিযোগ করেনি। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তাকে জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রতিকার বা ব্যবস্থা নিতে বলা হয়নি। সময় টিভি

রাজশাহীর সময় /এএইচ

পাবনায় অবৈধ মেলামেশায় ধরা মসজিদের ইমাম! রাতভর বেঁধে রাখল গ্রামবাসী
সুজানগরের খয়রানে বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
পাবনায় হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসককে লাঞ্ছিত