ঢাকা রবিবার, জুন ২০, ২০২১
চিনের সিনোফার্ম ভ্যাকসিন
  • Rajshahir Somoy Desk
  • ২০২১-০৫-১৭ ১৬:১৪:২৯
ফাইল ফটো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়াতে চিনের সিনোফার্মকে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত ৭ মে জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্র পেয়েছে চিনের এই ভ্যাকসিন। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার থেকে অনুমোদনের পূর্বেই চিন নিজের দেশের নাগরিকদের, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মতন দেশগুলোকে এই টিকা সরবরাহ করেছিল।

চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ২০২০ সালে জুন মাস থেকে পাঁচ মধ্য এশীয় দেশে এই টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রমাণিত যে, এই ভ্যাকসিন ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এই টিকা ৭৮.৮৯ শতাংশ কার্যকর। আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সেশেলস (Seychelles) তাদের সমস্ত নাগরিককে ইতিমধ্যেই চিনের সিনোফার্ম টিকা দেওয়া সম্পূর্ণ করেছে। ১০০,০০০ জনসংখ্যার দেশটি প্রথমে চীনের সিনোফর্ম ভ্যাকসিন ব্যবহার করেছে। এবং টিকাকরণের পর ২৭ শতাংশ মানুষ আক্রান্তের খবর আসে।

বেইজিং ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিকাল এই ভ্যাকসিনটি তৈরী করেছে। চিনের ভ্যাকসিনটি তৈরি করা হয়েছে চিরাচরিত টিকা পদ্ধতি অনুযায়ী। যেখানে জীবাণুকে নিষ্ক্রিয় করে টিকা তৈরি করা হয়। এতে ভাইরাসের মৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি ভ্যাকসিন শরীরে প্রবেশ করানো হয়, যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এই ভাইরাসকে চিনতে পারে। এতে জীবাণু শরীরের প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় হয়ে উঠে রোগের গুরুতর সংক্রমণ ঠেকাতে পারে। ভারত বায়োটেক কোভাক্সিনও একইভাবে তৈরী হয়েছে। চিনা এই ভ্যাকসিনটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শেখায় করোনার বিরুদ্ধে লড়তে কিভাবে অ্যান্টিবডি তৈরী করতে হবে।

সিনোফর্ম ভ্যাকসিনটি প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে ব্যবধান তিন থেকে চার সপ্তাহ রাখা হয়েছে । যদি প্রথম ডোজটি নেওয়ার তিন সপ্তাহেরও কম সময় আগে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া হয়।তবে ডোজটি পুনরাবৃত্তি করার প্রয়োজন হয় না। ভারতে যেভাবে করোনা দাপট দেখাচ্ছে তাতে দ্রুত টিকাকরণের জন্যে ভ্যাকসিনের দাবিতে বিশ্বের দেশগুলোতে অনুরোধ করছে কেন্দ্র। সেখানে দাঁড়িয়ে কি ভারতেও কি চিনের ভাসাসিনকে অনুমোদন দেওয়া হবে। তা নিয়ে তৈরী হচ্ছে জল্পনা।

রাজশাহীর সময় /এএইচ

ভারতে শনাক্ত কমলেও বেড়েছে মৃত্যু
নাইজেরিয়ায় পুলিশকে হত্যা করে ৮০ শিক্ষার্থী অপহরণ
আল-আকসায় আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ