ঢাকা মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
দ্বিতীয় ডোজ নিলেন ৩০ লাখ ২৩ হাজার মানুষ
  • Rajshahir Somoy Desk
  • ২০২১-০৫-০৪ ১৩:০৫:৪২
ফাইল ফটো

অনলাইন ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে টালমাটাল সময়ের মাঝে এই মরণব্যাধি প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত দেশে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৩০ লাখ ২৩ হাজার ১৬৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ৩১৪ এবং নারী ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫৫ জন।

গতকাল সোমবার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৮৬ হাজার ৯২৮ জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৫৩ হাজার ৯০৯ এবং নারী ৩৩ হাজার ১৯ জন। আর প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১০ জন। এরমধ্যে পুরুষ আট এবং নারী দুজন।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন নয় লাখ ৬৮ হাজার ৮৬৭ জন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে চার লাখ ৯৭ হাজার ২২৩ জন। আর ঢাকা বিভাগে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৮ লাখ সাত হাজার ৯৭৩ জন ও ঢাকা মহানগরীতে নিয়েছেন নয় লাখ ২০ হাজার দুজন।

এ দিকে, ময়মনসিংহ বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার ১২৪ জন, প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন দুই লাখ ৮৯ হাজার ২৩১ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ছয় লাখ ৫৩ হাজার, প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ১১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫ জন। রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন তিন লাখ নয় হাজার ৩২ জন, প্রথম ডোজ ছয় লাখ ৬৩ হাজার ৯৫৭ জন। রংপুর বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন দুই লাখ ৬৯ হাজার ৮৮৬ জন, প্রথম ডোজ পাঁচ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৩ জন। খুলনা বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন তিন লাখ ৮১ হাজার ১৬১ জন, প্রথম ডোজ সাত লাখ ৩১ হাজার ৮৯ জন।

অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ২৮৯ জন, প্রথম ডোজ দুই লাখ ৫১ হাজার ৩৪৫ জন এবং সিলেট বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ জন, প্রথম ডোজ তিন লাখ এক হাজার ১৫৬ জন।

এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৭১৯ জন। এরমধ্যে ৩৬ লাখ আট হাজার ৮১৩ জন পুরুষ এবং নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯০৬। এছাড়া এপর্যন্ত ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৮ জন মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন ২১ জনকে টিকা দেওয়া হয়। পরদিন রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে ৫৪৬ জনকে পর্যবেক্ষণমূলক টিকা দেওয়া হয়। এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

প্রথম টিকা নেওয়ার ৬০ দিন পর ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকা পাওয়া নিয়ে সংকট দেখা দেওয়ায় আপাতত গণহারে প্রথম ডোজের টিকার প্রয়োগ বন্ধ আছে। তবে সরকার রাশিয়া ও চীন থেকে বিকল্প ব্যবস্থা টিকা আনার ব্যবস্থা করছে। চলতি মাসেই বিকল্প উৎস থেকে টিকা এলে আবার প্রথম ডোজের টিকার প্রয়োগ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

রাজশাহীর সময় / এফ কে

বাংলাদেশের ইতিহাস আর কেউ বিকৃত করতে পারবে না : শেখ হাসিনা
খোলা থাকবে মার্কেট-শপিং মল
নাগরিকদের ভারত থেকে ফেরানোর উদ্যোগ, ৬ সীমান্ত খুলে দিল বাংলাদেশ