বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

দক্ষিণ চিন সাগরে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি, হুঁশিয়ারি চিনের

দক্ষিণ চিন সাগরে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি, হুঁশিয়ারি চিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্ব-শাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে চিনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার কোনও রকম অপচেষ্টা ‘যে কোনও মূল্যে’ সামরিক বাহিনী রুখবে বলে জানিয়েছেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গে। বৃহস্পতিবার এক নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। দক্ষিণ চিন সাগরে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি এবং তাইওয়ান দ্বীপকে ঘিরে ওয়াশিংটনের বেশ কয়েকটি কৌশলগত পদক্ষেপের পর বেইজিং এহেন প্রতিক্রিয়া দেখাল।

রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র কেনায় ওয়াশিংটন গতমাসেই চিনের সামরিক বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে; ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ নিয়েও দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ চিন সাগরকে ঘিরেও বেজিং ও তাইওয়ানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে। সোমবার মার্কিন দুটি যুদ্ধজাহাজও তাইওয়ান প্রণালীর ভেতর দিয়ে অগ্রসর হয়। তাইপের প্রতি হোয়াইট হাউজের সমর্থন জানানোর বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যেই চলতি বছরই এ নিয়ে দ্বিতীয়বার এই ধরনের ঘটনা ঘটল।

“তাইওয়ান প্রসঙ্গটি চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এটি চিনের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত। তাইওয়ান নিয়ে চিনকে চ্যালেঞ্জ জানানো ভয়াবহ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কেউ যদি তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, চিনের সামরিক বাহিনী যে কোনও মূল্যে এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে,” নিরাপত্তা সম্মেলন জিয়াংশান ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফেঙ্গে।

অন্যদিকে, চিন সবসময়ই তাইওয়ানকে তার নিজের অংশ বলেই দাবি করে আসছে। ২০১৬ সালে স্বাধীনতাপন্থি ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির সাই ইং-ওয়েন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই স্ব-শাসিত দ্বীপটির সঙ্গে বেজিংয়ের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটে। শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাইওয়ানকে নিজেদের দখলে নিয়ে আসার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া চিন দ্বীপটিতে আমেরিকার নতুন দূতাবাস ও মার্কিন নাগরিকদের তাইওয়ান ভ্রমণে উৎসাহ যোগাতে নতুন বিধানসহ বেশ কিছু পরিকল্পনায়ও উদ্বেগ জানিয়েছে। 

রাজশাহীর সময় ডট কম২৭ অক্টোবর ২০১৮





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com