বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

নিজের শহরে ভালো কিছু করতে চাই

নিজের শহরে ভালো কিছু করতে চাই

ক্রিড়া ডেস্ক : আগের রাতটি ঘুমাননি, তাই স্বপ্ন দেখার প্রশ্নই আসে না! কিন্তু খালেদ আহমেদের পরের দিনটি যে কেটেছে স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর!  ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ম্যাচে নিয়েছেন ১০ উইকেট আর একই দিনে ডাক পেয়েছেন টেস্ট দলে। রাজশাহী থেকে টেলিফোনে নিজের অনুভূতি জানিয়েছে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসকে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ফোনে তো পাওয়াই যাচ্ছে না, শুধুই ‘এই মুহূর্তে ব্যস্ত’ শোনাচ্ছে… সব ভালো খবর একসঙ্গে পেয়ে গেলেন নাকি?

খালেদ আহমেদ : জি, অনেক অভিনন্দন পাচ্ছি। আসলেই, খুব অল্প সময়ের ভেতর অনেকগুলো মনে রাখার মতো মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। খুব ক্লোজ একটা ম্যাচ জিতলাম, এবারের জাতীয় লিগে সিলেটের প্রথম জয়। প্রতিপক্ষ ঢাকা মেট্রোর ক্রিকেটাররা অনেক স্লেজিং করেছে ম্যাচে, একটা দারুণ জবাব দেওয়া গেছে। আমার ৫ উইকেট হলো দুই ইনিংসেই, প্রথমবারের মতো ম্যাচে ১০ উইকেট পেলাম। আর এ রকম দিনেই টেস্ট দলে জায়গা পাওয়ার খবরটা পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। এ রকম একটা দিনের জন্যই তো এত দিন পরিশ্রম করেছি। অথচ জানেন, গতকাল রাতে একটা ফোঁটাও ঘুম হয়নি আমার! সারাক্ষণ দলের চিন্তা ছিল মাথায়।

প্রশ্ন : কেন? দলে তো অলক কাপালি, এনামুল হকের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন, রাহি টেস্ট খেলছেন, এবাদত স্পিডস্টার; নিজের ওপর এত চাপ নিচ্ছিলেন কেন?

খালেদ : প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছিলাম। পিচ দেখে মনে হয়েছিল চতুর্থ দিনে এই পিচে পেস বোলিংটা আরো ভালো হবে। তিন বছর হয় সিলেটের হয়ে জাতীয় লিগ খেলি, এখনো একটা ম্যাচ একা জেতাতে না পারার একটা জেদ ছিল। মনে হচ্ছিল আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। সেই সঙ্গে ঢাকার ক্রিকেটারদের কিছু বাক্যবাণও খুব জেদ চাপিয়ে দিয়েছিল।

প্রশ্ন : শেষটা তো হয়েছে সিলেটের দারুণ নাটকীয় জয়ে, শেষের ওভারগুলো করার সময় কী মনে হচ্ছিল?

খালেদ : আসলে শেষের দিকে অধিনায়ক বল করাচ্ছিলেন শাহনূরকে দিয়ে। যখন ৪ উইকেটে মাত্র ১২ রান লাগবে ঢাকার, তখন অলকদা আমাদের সবাইকে ডাকলেন। অধিনায়ককে বললেন পেস বোলিং দিতে, আমি বোলিং পেলাম। শেষ স্পেলে প্রথম ওভারে আমি উইকেট নিলাম, পরের ওভারে এনাম ভাই উইকেট নিলেন, ব্যস খেলা ঘুরে গেল। এর পরও ভয় ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জিততে পারায় খুব ভালো লাগছে।

প্রশ্ন : টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন, একাদশে কতটা সুযোগ দেখছেন?সূত্র:কালের কণ্ঠ।

খালেদ : শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজ, এইচপি দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফর আর ‘এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফরে ভালো করায় আমার ভেতর বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ দলে সাধারণত স্পিনারদেরই টেস্টে মূল উইকেটশিকারির ভূমিকা পালন করতে হয়। সুযোগটা যদি সিলেটের মাটিতে আসে, সেখানকার পেস সহায়ক উইকেটে নিজের শহরে ভালো কিছুই করতে চাই।

রাজশাহীর সময় ডট কম২৬ অক্টোবর ২০১৮





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com