মঙ্গলবার, ১৬ Jul ২০১৯, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

বগুড়ায় কয়েক শতাধিক পরিবার পানিবন্দী

বগুড়ায় কয়েক শতাধিক পরিবার পানিবন্দী

জিএম মিজান (বগুড়া প্রতিনিধি) : বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে শতাধিক বাড়ি। শনিবার আবারো পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী বিভিন্ন চরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানির তীব্র স্রোতের কারণে উপজেলার যমুনা নদী এলাকার কয়েক সহস্রাধিক মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী সদর ইউনিয়নের নিজবাটিয়া, কাজলা ইউনিয়নের কুড়িপাড়া, চকরতিনাথ, নয়াপাড়া, চন্দনবাইশা, চালুয়াবাড়ী, কুতুবপুর, কামালপুর, কর্ণিবাড়িসহ বিভিন্ন চরাঞ্চল ও যমুনার তীরবর্তী নিচু এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়াও ৬টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি মাদ্রাসা, ১টি হাইস্কুলে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বন্যায় চরাঞ্চলের কৃষকের বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের ক্ষেতে পানি ঢুকে পড়েছে। বৃষ্টি হলে ও ঢলের পানি আসলে পানি আরও বাড়বে। চালুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী এ প্রতিবেদক-কে বলেন, বন্যার পানিতে চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের সুজানের পাড়া ২৫টি পরিবার, উত্তর হাটবাড়ী ২০টি, বহুলাডাঙ্গা ২০টি, উত্তর শিমুল তাইড় ৩০টি, ভাঙ্গরগাছা ১৫টি বিরামের পাঁচগাছী গ্রামে ৩০টি পরিবার সহ সর্বমোট ১শ ৪০টি পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সিদ্ধার্থ ভোমিক এ প্রতিবেদক-কে বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কন্টোলরুম খোলা হয়েছে। বন্যায় আক্রান্ত লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার চাল ডাল বিতরণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। 

রাজশাহীর সময় ডট কম১৪ জুলাই ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com