বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহী চারঘাটে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চারঘাটে নতুন ওসির বিশেষ অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৬৬ জন নানা কর্মসূচিতে ইবিতে গ্রেনেড হামলা দিবস পালিত সাপাহারে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আলোচনা সভা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত একুশে আগস্টের হামলায় নিহতদের স্মরণে মহানগর সৈনিক লীগের শ্রদ্ধা নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ আটক-১ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে যুবক গ্রেফতার রাজশাহীতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি আ.লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতেই গ্রেনেড হামলা: পলক শুভেচ্ছা দূতের পদ থেকে প্রিয়াংকা চোপড়াকে সরাতে পাকিস্তানি মন্ত্রীর আহ্বান
ঐক্যফ্রন্টে পদের আশায় রবের মতিভ্রম, চাইলেন খালেদার মুক্তি

ঐক্যফ্রন্টে পদের আশায় রবের মতিভ্রম, চাইলেন খালেদার মুক্তি

রাজশাহীর সময় ডেস্কখালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্ত করতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি বাক্য উচ্চারণ করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আবদুর রব।

৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

এদিকে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে রবের মতো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে দাবি করা নেতার হুমকি দ্বিচারিতা এবং বৃথা আস্ফালন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক এ আরাফাত। তার মতে, রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতে এবং বিএনপির জোর সমর্থন আদায় করে ঐক্যফ্রন্টে গুরুত্বপূর্ণ পদ আদায় করতে রব উচ্চবাচ্য করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে আরাফাত বলেন, ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেয়ার আগে কিন্তু রব সাহেব বিএনপির ঘোর বিরোধী ছিলেন। নিজেকে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি দাবি করে রব বিএনপিকে জামায়াতের দোসর ভেবে প্রচণ্ড ঘৃণা করতেন। অথচ যখনই নির্বাচন ও সংসদ সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হলো তখন জেনেশুনে বিএনপি-জামায়াতের হাত ধরলেন তিনি। এগুলো রাজনৈতিক ভণ্ডামির অংশমাত্র। রবের মতো মানুষের কোন রাজনৈতিক আদর্শ নেই। ক্ষমতার প্রয়োজনে নিজেকে বিক্রি করতেও লজ্জা পান না তিনি। শুনেছি, ঐক্যফ্রন্টে গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেয়ার জন্য বিএনপি-প্রীতি বাড়িয়েছেন রব। রব যে সুবিধাবাদী নেতা সেটি আবারও প্রমাণ হলো। বিএনপির উচিত হবে রবের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা। কেননা সুযোগ বুঝে আবারও তিনি রঙ পাল্টাতে পারেন।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া যে জনপ্রিয় নেত্রী তা কিন্তু রবের বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে। যারা বিএনপিকে অবজ্ঞা ও অবহেলা করতেন তারাই কিন্তু আজকে বিএনপি নেত্রীর মুক্তির দাবি করছেন। যদিও রব সাহেবের মূল দল আওয়ামী লীগ ছিলো। রব অতীতে বিএনপি-বিরোধী ছিলেন, এখন কিন্তু তিনি বিএনপির অনুরাগী বলা চলে। আমি চাই, ঐক্যফ্রন্টে রবকে ভালো একটি পদ দেয়া হোক। যদিও ম্যাডাম জিয়ার মুক্তির দাবি করায় রবের রাজনৈতিক কৌশল ও নীতি-নৈতিকতা নিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টে নানা গুঞ্জন চলছে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রব আজ থেকে বিএনপির বন্ধু হিসেবে বিবেচিত হবেন। আশা-করি, বিএনপি-জামায়াত নিয়ে রব কিংবা ড. কামালদের আর সমস্যা হবে না। ঐক্যফ্রন্টে বিএনপি-জামায়াতকে আর কেউ গালি দেবে না। রাজনীতিতে স্থির আদর্শ বলে কিছু নেই। প্রয়োজন সব কিছুকে বৈধতা দেয়।সূত্র: বাংলা নিউজ ব্যাংক

রাজশাহীর সময় ডট কম – ০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com