মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

হারেও জয় ম্যারাডোনার!

হারেও জয় ম্যারাডোনার!

ক্রিড়া ডেস্ক : দোরাদোস যে শহরের ক্লাব সেই কুলিয়াকান মেক্সিকোর মাদকরাজ্য হিসেবে কুখ্যাত। ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই ক্লাবের কোচ হতে দেখে অনেকেই মুখ টিপে হাসছেন। কে না জানে মাদকের সঙ্গে একদা সখ্য ছিল ম্যারাডোনার। কিন্তু সমালোচকের মুখে ছাই দিয়ে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এই ক্লাবেই নতুন ইতিহাস লিখতে চলেছিলেন। দোরাদোসের যখন দায়িত্ব নেন, তখন ১৫ দলের মধ্যে ১৩ নম্বরে ছিল তাদের অবস্থান। পরশু সেই ক্লাবটিই কিনা প্রিমিয়ারে ওঠার প্লে-অফ খেলল ১২০ মিনিট পর্যন্ত।

তিনি অবশ্য ডাগআউটে নয়, ওয়াকিটকি হাতে গ্যালারিতে। ১-০ ব্যবধানে জেতা আগের লেগে রেফারির একটি সিদ্ধান্তে মেজাজ হারিয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন। ‘ফাইনালে’ তাই মাঠের বাইরে, কিন্তু ওয়াকিটকি হাতে সহকারী কোচকে ব্যস্ত রেখেছেন সারাক্ষণ। অ্যাতলেতিকো সান লুইসের বিপক্ষে শুরুতেই এগিয়ে যায় ম্যারাডোনার দল। সান লুইস প্রথমার্ধেই সমতা ফেরায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার এগিয়ে যায় দোরাদোস। তাতে প্রথম লেগ মিলিয়ে ম্যাচে টিকে থাকতে অন্তত দুটি গোল করতে হতো সান লুইসকে। ৬৫ ও ৭৫ মিনিটে দুই গোলে সেটা তারা করেছেন। গোল ব্যবধানে সমতার কারণে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তারই ১৩ মিনিটে জয়সূচক গোলটাও পেয়ে যায় (৪-২) প্রতিপক্ষ। লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে এসে ম্যারাডোনাকে হারতে হয় মিনিট কয়েকের জন্য। এর পরও কে ভাবতে পেরেছিলেন ১৩ নম্বর দলটাকে তিনি রানার্স-আপ করবেন। প্রিমিয়ারে তুলে দেওয়া থেকে থামবেন মাত্র ১ গোল দূরত্বে। সেই হিসাবে মেক্সিকোর দ্বিতীয় বিভাগে ম্যারাডোনার প্রথম মৌসুম সফল। আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে তিনি ছিলেন ব্যর্থ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাজ করেও সেভাবে সাফল্য পাননি। মেক্সিকোর দ্বিতীয় বিভাগ হলেও এখানে তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে যখন প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছিল, ’৮৬-এর চ্যাম্পিয়ন সেখানেই নিজেকে প্রমাণ করলেন আবার। এএফপি

রাজশাহীর সময় ডট কম০৪ ডিসেম্বর ২০১৮





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com