শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পবা-মোহনপুর-রাজশাহী ৩ আসনের নৌকার মাঝি আয়েনের পক্ষে কাটাখালীতে নির্বাচনী প্রচারনায় পৌর মেয়র রাজশাহী নগরীতে ইয়াবাসহ আটক-১ গর্বের সেনাবাহিনীই কেন তাদের লক্ষ্যবস্তু! আওয়ামী লীগের আছে উন্নয়ন, বিএনপি’র প্রচারণায় ব্যর্থতা নির্বাচনে ভোট চাইতে গ্রামীণফোনের সাথে চুক্তি করল বিএনপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নগরীতে কিন্ডার গার্টেন এর উদ্দ্যেগে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নগরীতে নৌকার পক্ষে ২৬ নং ওয়ার্ড (পূর্ব) আ’লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির যৌথ প্রচার মিছিল নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সাবেক আমীর গিয়াস গ্রেফতার রাজশাহীতে ট্রাক-ব্যাটারিচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ২জন নারী নিহত
পরিশ্রম করতেই হবে : নেহা

পরিশ্রম করতেই হবে : নেহা

বিনোদন ডেস্কবর্তমানে শুধু নেহা নামেই তুমুল জনপ্রিয়। পারিবারিক নাম নেহা কাক্কার। একজন ভারতীয় গায়িকা। জন্ম ৬ জুন ১৯৮৮।

জন্মস্থান ভারতের উত্তরাখন্ডের ঋষিকেশ শহরে। দিল্লিতে বড় হয়ে ওঠেন নেহা। নিউ হিল পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেন।

তিনি যখন ইন্ডিয়ান আইডলের দ্বিতীয় আসরে অংশ নেন তখন একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন। ভারতের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ইন্ডিয়া আইডলের বিচারকের দায়িত্বে এসে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।

পারিবারিকভাবে গানের আবহে বড় হয়ে উঠেছেন। বাবা ঋষিকেশ কাক্কার। মা নিতি কাক্কার। ভাই টনি কাক্কার এবং বোন সনি কাক্কার।

তারা দুই জনই গান করেন। জীবনের শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে বড় হয়ে উঠেছেন তিনি। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় গান গেয়ে ছোটবেলা থেকেই আয় করতেন তিন ভাইবোন।

২০০৬ সালে নেহা টেলিভিশন রিভিউ শো ইন্ডিয়ান আইডল সিজন টুতে প্রতিযোগী হিসেবে উপস্থিত হন। সবশেষ তিনি জি টিভির ‘সা রে গা মা পা’ লিটল চ্যাম্পস নামে জনপ্রিয় শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি মিউজিক ব্রাদার্সের সংগৃহীত অ্যালবাম ‘নেহা দ্য রক স্টার’ অ্যালবামের সঙ্গে সঙ্গীত শিল্পে যাত্রা শুরু করেন।

তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে আছে ইয়ারিয়া চলচ্চিত্রের ‘সানি সানি’, দ্য শৌকিন্স চলচ্চিত্রের ‘মানালি ট্রান্স’, গাব্বার ইজ ব্যাক চলচ্চিত্রে হানি সিংয়ের সঙ্গে ‘আও রাজা’, ফাটা পোস্টার নিকলা হিরো চলচ্চিত্রের ‘ধাতিং নাচ’, কুইন চলচ্চিত্রের লন্ডন তুমাকদা, সত্যমেব জয়তে চলচ্চিত্রের ‘দিলবার’ অন্যতম।

ব্যক্তিগত জীবনে এখনও কোনো ভালোবাসার গল্প নেই তার। তবে অভিনেতা হিমাংশ কোহলির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে।

সব সময় হাসি মুখে থাকা নেহা সামান্য দুঃখ-কষ্টের কথাতেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। জীবনে অনেক কঠিন সময় পার করে এসেছেন বলেই হয়তো এমন হয় তার।

মঞ্চে দর্শক মাতাতে জুড়ি নেই তার। রক, পপ কিংবা ক্ল্যাসিকাল সব গানের সঙ্গেই নিজের দক্ষতা বিশেষভাবে তুলে ধরতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেহার কোটি কোটি ভক্ত আর ফলোয়ার আছে। সামাজিক মাধ্যমে ভারতীর জনপ্রিয় সেলিব্রেটিদের নেহা আজ অন্যতম আসনে অধিষ্ঠিত।

রূপের মাধুরীতেও অনায়াসেই টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা রাখেন ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে অন্যতম সেরা গায়িকা নেহা।

বলিউড অনেক সিনেমাতেই প্লেব্যাক গানে দেখতে পাওয়া যায় তাকে। এছাড়া ইউটিউবে তার গান মানেই লক্ষাধিক ভিউস তো থাকেই। শ্র“তিমধুর কণ্ঠ সেই সঙ্গে উজ্জ্বল রূপ। সব মিলিয়ে অনেকের স্বপ্নের মুখ ও চরিত্র গায়িকা নেহা।

ইন্ডিয়ান আইডলের প্রতিযোগী থেকে ওই অনুষ্ঠানের বিচারক হওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন নেহা। একেবারেই ভিন্ন ধাঁচের গলার কারণে উপমহাদেশের শ্রোতাদের কাছে নেহার গান দ্রুতই জনপ্রিয়তা পায়।

শুধু টিভি শো নয়, ইউটিউবেও দারুণ জনপ্রিয় তিনি। ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে উদীয়মান তারকা বনে গেছেন তিনি। ভারত নয়, ২০১৬ সালে ঢাকার শ্রোতাদের সুরের মূর্ছনায় ভাসিয়েছেন গায়িকা নেহা কাক্কার।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘নেহা কাক্কার লাইভ ইন ঢাকা’ কনসার্টটি। দর্শকদের উপচেপড়া উপস্থিতি বলে দেয় নেহা বাংলাদেশের দর্শক আর শ্রোতাদের কাছে কতটা জনপ্রিয়। সুযোগ আর সময় করে আবারও বাংলাদেশে আশার কথা বলেছেন তিনি।

নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা থাকলে সাফল্য আসবেই এমনটি বিশ্বাস করেন। সবার কাছে সাবলীল উপস্থিতির জন্য ইন্ডিয়ান আইডলের মতো মঞ্চে তিনি বিচারকের আসনে জায়গা করে নিয়েছেন।

যা অনেক সমালোচকের কাছেই বিস্ময়কর।

তারুণ্য, সাফল্য, জনপ্রিয়, মেধাবী, সারল্য- এসব কিছুই যেন নেহার সঙ্গে মানিয়ে যায়। কয়েক কোটি টাকায় তিনি ইন্ডিয়ার আইডলে চুক্তি সই করেছেন। গানের পারিশ্রমিকেও তিনি ঈর্ষণীয় এখন। নেহা গান গাইলে দর্শক মন্ত্রমুগ্ধ হবে আর তা জনপ্রিয় তো হবেই।

এজন্য তিনি হাল সময়ের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের তালিকায় নিজেকে নিয়ে আসতে পেরেছেন। সামাজিক অনেক কাজেই নেহা আজ এগিয়ে আসেন।

সরল মনের সঙ্গে সাফল্য এ দুয়ের অনবদ্য যুগল তিনি। তরুণদের তিনি স্বপ্নের সারথী হতে বলেছেন।সূত্র:যুগান্তর।

স্বপ্ন পূরণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করতে হবে। সাধনা না থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না বলেই তিনি মনে করেন। আর নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা তো থাকতেই হবে। কঠিন সময় দীর্ঘ হয় না যদি পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকে। তবে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। কারণ একমাত্র নিজেই নিজেকে এগিয়ে নিতে পারে।

রাজশাহীর সময় ডট কম২০ নভেম্বর ২০১৮





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com