বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

ভারসাম্যপূর্ণ পোশাক পরিধানের তাগিদ

ভারসাম্যপূর্ণ পোশাক পরিধানের তাগিদ

রাজশাহীর সময় ডেস্ক : পবিত্র কোরআনে পোশাক পরিধানের গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হয়েছে। এক. সতর ঢেকে ফেলা। দুই. সৌন্দর্যের প্রকাশ। আল্লাহ তাআলা বলেন : ‘হে আদম সন্তান! আমি তোমাদের পোশাকের বিধান দিয়েছি, যে পোশাক তোমাদের লজ্জাস্থান ঢেকে ফেলে এবং সৌন্দর্যের পরিচায়ক।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২৬)

এ আয়াতে পোশাকের গুরুত্ব বোঝানোর পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছে যে পোশাকের প্রকৃত উদ্দেশ্য অঙ্গের আচ্ছাদন। এরই সঙ্গে সেটি সৌন্দর্য ও উৎকর্ষের প্রতীকও বটে। আর সর্বোত্তম পোশাক হলো, যা উভয় গুণের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত।

নতুন পোশাক পরিধানের দোয়া থেকেও পোশাক পরিধানের উল্লিখিত উদ্দেশ্য বোঝা যায়। দোয়াটির অর্থ নিম্নরূপ : ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে স্বীয় লজ্জাস্থান আবৃতকারী পোশাক পরিধান করিয়েছেন, আর এর মাধ্যমে আমি জীবনকে সাজিয়ে তুলি।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ৩৫৬০)

পোশাকের প্রকারভেদ

পোশাক প্রথমত দুই প্রকার। এক. বাহ্যিক বা দৃশ্যমান পোশাক। দুই. অভ্যন্তরীণ বা অন্তরের পোশাক। বাহ্যিক পোশাক দেহকে ঢেকে ফেলে। আর অভ্যন্তরীণ পোশাক অন্তরের কলুষতা, অপবিত্রতাকে ঢেকে দেয়। আল-কোরআনের পরিভাষায় সেটিকে ‘লিবাসুত তাকওয়া’ বা ‘খোদাভীরুতার পোশাক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পোশাকের এই দ্বিতীয় প্রকারটিই সর্বোত্তম পোশাক। আবার আহকাম ও বিধি-নিষেধ হিসেবে পোশাক পাঁচ প্রকার। ফরজ, মুস্তাহাব, মাকরুহ, হারাম ও মুবাহ।

ফরজ পোশাকের সংজ্ঞা হলো, এতটুকু পরিমাণ পোশাক পরিধান করা ফরজ, যার মাধ্যমে লজ্জাস্থান আবৃত করা যায় এবং শীত-গ্রীষ্মের প্রভাব থেকে বাঁচা যায়।

মুস্তাহাব পোশাক বলতে বোঝায়, লজ্জাস্থান আবৃত করার পাশাপাশি সে পোশাক সৌন্দর্য ও উৎকর্ষের পরিচায়ক, সামাজিক ও ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠানে পরিহিত পোশাকগুলোও মুস্তাহাব পোশাকের অন্তর্ভুক্ত। তবে তাতে আত্মম্ভরিতা ও অহংকারের লেশমাত্র থাকতে পারবে না।

মাকরুহ পোশাক বলা হয়, যা পরিধান করলে অহংকার আসার আশঙ্কা থাকে। মানুষের কাছে তাকে অহংকারী মনে হয়। আবার প্রভাবশালী, সামর্থ্যবান লোকদের জন্য নিজেদের সামর্থ্য, ব্যক্তিত্ব ও আভিজাত্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ জীর্ণ, পুরনো, নিম্নমানের পোশাক পরিধান করাও মাকরুহ। কেননা প্রকারান্তরে এটি আল্লাহর অকৃতজ্ঞতা প্রকাশের শামিল।

হারাম বা নিষিদ্ধ পোশাক হলো, অহংকার ও ঔদ্ধত্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে পোশাক পরিধান করা। এ কারণে পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় পরিধানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

মুবাহ পোশাক হলো, ওপরে উল্লিখিত পোশাক ছাড়া সব ধরনের পোশাক পরিধান করা মুবাহ ও জায়েজ।

তাকওয়ার পোশাক, পোশাকের তাকওয়া

পবিত্র কোরআনে ‘লিবাসুত তাকওয়াকে’ সর্বোত্তম পোশাক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ‘লিবাসুত তাকওয়া’ কী—তাফসিরগ্রন্থগুলোতে এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা এসেছে। যেমন—ঈমান, লজ্জাশীলতা, আল্লাহর ভয়, নেক আমল, সৎপথে পরিচালিত হওয়া, সতর ঢাকা ইত্যাদি। (তাফসিরে ত্ববাবি : ১২/৩৬৬-৩৬৮)

উল্লিখিত ব্যাখ্যাগুলোর আলোকে লিবাসুত তাকওয়ার একটি সামগ্রিক সংজ্ঞা নিরূপণ করা যায়। ঈমান আনার পর লজ্জাশীলতায় বশীভূত হয়ে শরিয়ত নির্ধারিত সতরের অঙ্গগুলো বাহ্যিকভাবে ঢেকে ফেলা। অন্তরে আল্লাহর ভয় নিয়ে নেক আমলের জিন্দেগি গ্রহণ করে নিজেকে সৎপথে পরিচালিত করা এবং সে পথে চলতে সব বাধা, প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষ্যে লড়াই করাকে ‘লিবাসুত তাকওয়া’ বলা হয়।

তাকওয়ার পোশাকের গুরুত্ব

ইসলাম অনুষ্ঠানসর্বস্ব ধর্ম নয়। লৌকিকতা ও মোনাফেকিরও স্থান নেই এখানে। বাহ্যিকতার পাশাপাশি আধ্যাত্মিকতার বড়ই কদর এ ধর্মে। একই কথা পোশাকের ক্ষেত্রেও। দেহের পোশাকের পাশাপাশি তাকওয়ার জামা দিয়ে নিজ অন্তরকে সাজিয়ে নেওয়া জরুরি। এটাই আসলে আসল জামা, যা মানুষকে চতুষ্পদ জন্তু থেকে পৃথক করে রাখছে। অন্তর যদি ‘বিবস্ত্র’ থাকে, দেহের বস্ত্র তখন নির্লজ্জতাকে রোধ করতে পারে না। তাই তাকওয়ার পোশাকই সর্বোত্তম পোশাক।

ভেতরে-বাইরে যেন অভিন্ন হয়, এ জন্য নবী করিম (সা.) তাঁর উম্মতকে সতর্ক করে গেছেন। কেননা কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে মানুষের ভেতরের সঙ্গে বাইরের, বাইরের সঙ্গে ভেতরের মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইরশাদ হয়েছে : ‘শেষ জমানায় এমন সব লোক বের হবে, যারা ধর্মকে পুঁজি করে দুনিয়া কামাই করবে। নম্রতা প্রকাশ করার জন্য ভেড়ার খাল (পশমি বা সুতি জামা) পরিধান করবে। তাদের ভাষা মধু থেকেও মিষ্ট হবে। কিন্তু তাদের অন্তর নেকড়ের মতো (হিংস্রতাপূর্ণ) হবে।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২৪০৪)

ভারসাম্যপূর্ণ পোশাক

ইসলাম একটি মধ্যপন্থী ধর্ম। ইসলামের প্রতিটি বিধানই ভারসাম্যপূর্ণ। সংকোচন কিংবা সীমা লঙ্ঘন এখানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তাই ইসলাম পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রেও ভারসাম্য রক্ষা করার তাগিদ দিয়েছে। অধিক বিলাসী পোশাক পরিধান করা যাবে না। আবার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের মর্যাদা, ব্যক্তিত্ব ও আভিজাত্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ নিম্নমানের পোশাকও পরিধান করা যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাচার এমনই ছিল। উম্মতকে দেওয়া তাঁর শিক্ষাও এমনই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিলাসী পোশাক পরিধান করতেন না। যা পাওয়া যেত, তা নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন। অন্যদিকে কোনো সাহাবিকে সামর্থ্যের চেয়ে নিম্নমানের পোশাক পরিধান করতে দেখে সতর্ক করেছেন। আল্লাহর নেয়ামতের প্রকাশ ঘটানোর শিক্ষা দিয়েছেন। হাদিস শরিফে এসেছে—

‘রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই ধরনের কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। এক. সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত পোশাক। দুই. নিকৃষ্টতা ও নিম্নমানের জন্য আলোচিত-সমালোচিত পোশাক।

রাসুলুল্লাহ (সা.) পোশাকের ক্ষেত্রে দুই ধরনের খ্যাতি থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন। প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল! সে খ্যাতিদ্বয় কী? জবাবে তিনি বলেছেন, কাপড় অধিক পাতলা হওয়া, বেশি মোটা হওয়া, বেশি লম্বা হওয়া, দেহ-অবয়বের তুলনায় ছোট হওয়া। কিন্তু এতদ্বয়ের মধ্যে মধ্যপন্থা, মিতাচার ও ভারসাম্য রক্ষা করে পোশাক পরিধান করা উচিত।

উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায়, মানুষের জন্য ব্যয়বহুল, বিলাসী পোশাক পরিধান করা অনুচিত। কেননা এতে মানুষের আত্মপ্রচার, অহংকার ও ঔদ্ধত্য বেড়ে যায়। আবার নিজের সামর্থ্যের চেয়েও নিম্নমানের পোশাক পরিধান করা কাম্য নয়। কেননা এতে আল্লাহর অকৃজ্ঞতা প্রকাশ পায়। হাদিস শরিফে এসেছে : ‘আল্লাহ স্বীয় নেয়ামতের নিদর্শন বান্দার মধ্যে দেখতে পছন্দ করেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৮১৯)

সাদাসিধা জীবনযাপনের গুরুত্ব

অহংকার ও আত্মপ্রচারে অভিলাষী না হয়ে সুন্দর পোশাক পরিধান করা বৈধ। বরং মোস্তাহাব। যেমনটা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এ বাস্তবতাও স্মরণ থাকা চাই যে ভারসাম্য রক্ষা করে বিনয়ী পোশাক পরিধান করা উত্তম। এ কারণেই রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামের পোশাক সাদাসিধা, অকৃত্রিম ছিল। তাঁরা বিনয়ী পোশাক পরিধান করতেন। তাঁরা লৌকিকতাবর্জিত জীবনাচারে অভ্যস্ত ছিলেন। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বিনয়াবত হয়ে সুন্দর পোশাক পরিহার করে, আল্লাহ তাআলা তাকে মর্যাদা ও মাহাত্ম্যের পোশাক পরিধান করাবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৭৭৮)

আবু বুরদাহ (রহ.) বলেন, আয়েশা (রা.) আমাদের কাছে একটি মোটা জটবদ্ধ চাদর এবং মোটা কাপড়ের লুঙ্গি নিয়ে এসে বলেন : ‘এই দুই কাপড়েই মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকাল হয়েছে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৭৩৩)

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নবী করিম (সা.) যে বিছানায় নিদ্রা যেতেন, তা ছিল চামড়ার তৈরি। এর মধ্যে খেজুরগাছের আঁশ ভরা ছিল।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৭৬১)

আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেছেন, যদি তুমি পরকালে (মর্যাদার দিক থেকে) আমার পাশে থাকতে চাও, তাহলে তিনটি বিষয়ের ওপর আমল করবে। এক. দুনিয়ায় তোমার জন্য মুসাফিরের মতো প্রয়োজনীয় পাথেয় যথেষ্ট হোক। দুই. বিত্তশালীদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকবে। তিন. পট্টি, তালি ও পুনর্বার সেলাই করা ছাড়া কাপড়কে পরিত্যক্ত করে দেবে না। (তিরমিজি, হাদিস : ১৭৮০)

একবার সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে দুনিয়া নিয়ে আলোচনা করতে লাগলেন। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা কি শোনোনি, তোমরা কি শুনতে পাওনি, সাদাসিধা জীবনযাপন ঈমানের অংশ। অকৃত্রিম জীবনাচার ঈমানের অঙ্গ।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪১৬১)

উল্লেখ্য যে উল্লিখিত হাদিসের সঙ্গে আল্লাহর নেয়ামত নিজের মধ্যে প্রকাশ করার হাদিসের সঙ্গে কোনো বৈপরীত্য নেই। কেননা নেয়ামত প্রকাশের হাদিসটি নেতৃস্থানীয়, সামর্থ্যবান, শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। আর আলোচ্য হাদিসটি সর্বসাধারণের জন্য প্রযোজ্য।

স্বাভাবিক অবস্থায় ইসলাম সাদাসিধে পোশাক পরিধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ওই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ, যে ঘোড়ার লাগাম টেনে আল্লাহর পথে বের হয়েছে। তাঁর চুলগুলো বিক্ষিপ্ত, পাগুলো ধুলায় ধূসরিত। (বুখারি শরিফ, হাদিস : ২৮৮৬)

তার মানে এই নয় যে সব সময় একেবারে সাদামাটা পোশাক পরিধান করবে। বরং প্রয়োজনে উন্নতমানের পোশাকও পরিধান করা যাবে। কেননা পোশাক মানুষের মৌলিক অধিকার। নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তিন ধরনের সম্পদে মানুষের চূড়ান্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। বসবাসের ঘর, লজ্জাস্থান আবৃতকারী পোশাক ও দানাপানি।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪১)

সাদাসিধা পোশাক পরিধান মহানবী (সা.)-এর সুন্নত। ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) চাটাইয়ের ওপর ঘুমিয়েছেন। ঘুম থেকে ওঠার পর দেখা গেল, তাঁর পার্শ্বদেশে চাটাইয়ের চিহ্ন লেগে আছে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কি আপনার জন্য (নরম) বিছানা সংগ্রহ করে দেব? জবাবে তিনি বলেছেন, দুনিয়ার সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক। দুনিয়ায় আমার অবস্থান মুসাফিরের মতো, যে ভ্রমণক্লান্ত হয়ে বৃক্ষের ছায়ায় এসেছে। তারপর বিশ্রাম শেষে সেটি ছেড়ে চলে গেছে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৭)

মহানবী (সা.)-এর এই আদর্শ ধারণ করেছেন সাহাবায়ে কেরাম। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি ৭০ জন আসহাবে সুফফার সদস্যকে দেখেছি, যাঁরা পুরো শরীর ঢেকে রাখার মতো বস্ত্র জোগাড় করতে পারতেন না। পোশাক বলতে কারো কারো শুধু একটি লুঙ্গি ছিল। আর কারো শুধু জামা ছিল। তাঁরা সেগুলো গলায় ঝুলিয়ে রাখতেন। কোনোটা টাখনু অবধি, কোনোটা টাখনু ও হাঁটুর মাঝামাঝি পরে থাকতেন। লজ্জাস্থান প্রদর্শিত হওয়ার ভয়ে তাঁরা জামাগুলো হাত দিয়ে ধরে রাখতেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৪৩)

হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ওমর (রা.) খেলাফতের মসনদে সমাসীন অবস্থায় একবার খুতবা দিয়েছেন, তখন তাঁর পরিহিত লুঙ্গিটি ১২টি তালিযুক্ত ছিল। উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়, পোশাক-পরিচ্ছদ ছাড়াও জীবনের সব ক্ষেত্রে সাদাসিধা জীবনাচার কাম্য। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যক্তিগত জীবন পদ্ধতিও ছিল খুবই সাদাসিধা। সাহাবায়ে কেরাম (রা.)ও তাঁর আদর্শ অনুসারে নিজেদের জীবনকে সাজিয়েছেন। খলিফা হয়েও রাষ্ট্রের সমুদয় বিত্তবৈভবের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাঁরা নবীজির আদর্শবিচ্যুত হননি। সাধারণ জীবনযাপনই ছিল তাঁদের আজীবন সাধনা।

লেখক : মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ, শিক্ষক, মাদরাসাতুল মদিনা, নবাবপুর, ঢাকা।

রাজশাহীর সময় ডট কম ০৯ নভেম্বর, ২০১৮





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com