সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে ‍১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা, খালুর ধর্ষণে ঘুমিয়ে হাঁটেন ইলিয়ানা, ভক্তরা বলছেন নায়িকাকে ভূতে ধরেছে কাশ্মীর নিয়ে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইমরানের ! ৩০ লাখ ৫০ হাজর টাকাসহ হুন্ডি ব্যবসায়ী আটক রণবীর কাপুর নয়, রণবীর সিংয়ের সঙ্গেই দেখা যাবে আলিয়াকে! পুলিশকে জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে গুরুত্ব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে রাব্বানীর ফোনালাপে তোলপাড় বাংলাদেশকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টিতে আফগানদের নতুন ইতিহাস জনগণের মনে পুলিশ সম্পর্কে যেন অমূলক ভীতি না থাকে” প্রধানমন্ত্রী বাঘায় ৪ ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারি সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ
আইন পাশ কাটানোর চেষ্টা সফল হবে না

আইন পাশ কাটানোর চেষ্টা সফল হবে না

 রিয়াজ উদ্দীন : ব্রেক্সিট ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার জন বারকো। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যদি আইনকে পাশ কাটিয়ে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তবে অবশ্যই তা প্রতিহত করা হবে। এ ছাড়া ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা না পেছাতে জনসন যে গোধরা ভাব দেখাচ্ছেন, সে বিষয়েও তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছেন স্পিকার।

আগামী ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্য ওই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু এরপর দুই পক্ষের সম্পর্ক কেমন হবে, সে বিষয়ে ইইউয়ের সঙ্গে একটা চুক্তি করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। কিন্তু চুক্তিটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হয়নি। এ অবস্থায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মনোভাব হলো, পার্লামেন্টে চুক্তি পাস হোক বা না হোক, তিনি ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকর করবেন। কিন্তু বিরোধী দলের পাশাপাশি জনসনের দলের অনেক পার্লামেন্ট সদস্যও তাতে রাজি নন। এমন চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট ঠেকাতে চলতি মাসের শুরুতে পার্লামেন্টে একটি আইনও পাস হয়েছে।

এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ব্রেক্সিট ইস্যুতে বক্তব্য দেন স্পিকার জন বারকো। তিনি বলেন, সরকার চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট কার্যকরের চেষ্টা করলে তা যেকোনো উপায়ে প্রতিহত করা হবে। স্পিকার বলেন, ‘আইন অমান্য করে সরকার এ ধরনের কোনো চেষ্টা চালালে তা সমাজে নেতিবাচক উদাহরণ তৈরি করবে।’

এমপিরা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়াতে পারে, সে জন্য রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে দিয়ে পাঁচ সপ্তাহের জন্য পার্লামেন্ট মুলতবি ঘোষণা করিয়ে নিয়েছেন জনসন। এ ক্ষেত্রে রানিকে তিনি বুঝিয়েছেন, পার্লামেন্ট মুলতবি না রাখলে ব্রেক্সিটকে ইস্যু বানিয়ে আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।

জনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রানিকে মিথ্যা বলে পার্লামেন্ট মুলতবি করিয়েছেন। তবে গত বৃহস্পতিবার রানিকে ‘ভুল বোঝানোর’ বিষয়টি অস্বীকার করেন জনসন।

এদিকে ব্রেক্সিট ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মধ্যস্থতাকারী মাইকেল বার্নিয়ার বলেছেন, আগামী ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ইইউ সম্মেলন হবে। তার আগে ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত জনসন এক রকম কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তিনি চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের যে পরিকল্পনা করছেন, তা এত দিন গোপন ছিল। গত বুধবার পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে হেরে তিনি সেই পরিকল্পনা প্রকাশ করতে বাধ্য হন। একই দিন স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ বেসামরিক আদালত বলেন, পার্লামেন্ট মুলতবি রাখা সংবিধান পরিপন্থী।

বিরোধীদলীয় ‘লিবারেল ডেমোক্রেটিক’ দলের ব্রেক্সিটবিষয়ক মুখপাত্র টম ব্রেক অভিযোগ করেছেন, ‘পার্লামেন্ট মুলতবি রাখা বিষয়ক সব নথি কিংবা ই-মেইল সরকার গোপন করে রাখছে। এসব নথি সামনে এলে এটা স্পষ্ট হবে যে প্রধানমন্ত্রী কেন রানিকে ভুল বুঝিয়েছেন।’

ব্রেক আরো বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, জনসন জবাবদিহি করতে চান না। আর এ কারণেই তিনি পার্লামেন্ট মুলতবি রাখার ফন্দি করেছেন।’ সূত্র : এএফপি।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার জন বারকো। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যদি আইনকে পাশ কাটিয়ে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তবে অবশ্যই তা প্রতিহত করা হবে। এ ছাড়া ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা না পেছাতে জনসন যে গোধরা ভাব দেখাচ্ছেন, সে বিষয়েও তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছেন স্পিকার।

আগামী ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্য ওই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু এরপর দুই পক্ষের সম্পর্ক কেমন হবে, সে বিষয়ে ইইউয়ের সঙ্গে একটা চুক্তি করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। কিন্তু চুক্তিটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হয়নি। এ অবস্থায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মনোভাব হলো, পার্লামেন্টে চুক্তি পাস হোক বা না হোক, তিনি ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকর করবেন। কিন্তু বিরোধী দলের পাশাপাশি জনসনের দলের অনেক পার্লামেন্ট সদস্যও তাতে রাজি নন। এমন চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট ঠেকাতে চলতি মাসের শুরুতে পার্লামেন্টে একটি আইনও পাস হয়েছে।

এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ব্রেক্সিট ইস্যুতে বক্তব্য দেন স্পিকার জন বারকো। তিনি বলেন, সরকার চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট কার্যকরের চেষ্টা করলে তা যেকোনো উপায়ে প্রতিহত করা হবে। স্পিকার বলেন, ‘আইন অমান্য করে সরকার এ ধরনের কোনো চেষ্টা চালালে তা সমাজে নেতিবাচক উদাহরণ তৈরি করবে।’

এমপিরা যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়াতে পারে, সে জন্য রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে দিয়ে পাঁচ সপ্তাহের জন্য পার্লামেন্ট মুলতবি ঘোষণা করিয়ে নিয়েছেন জনসন। এ ক্ষেত্রে রানিকে তিনি বুঝিয়েছেন, পার্লামেন্ট মুলতবি না রাখলে ব্রেক্সিটকে ইস্যু বানিয়ে আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।

জনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রানিকে মিথ্যা বলে পার্লামেন্ট মুলতবি করিয়েছেন। তবে গত বৃহস্পতিবার রানিকে ‘ভুল বোঝানোর’ বিষয়টি অস্বীকার করেন জনসন।

এদিকে ব্রেক্সিট ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মধ্যস্থতাকারী মাইকেল বার্নিয়ার বলেছেন, আগামী ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ইইউ সম্মেলন হবে। তার আগে ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত জনসন এক রকম কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তিনি চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের যে পরিকল্পনা করছেন, তা এত দিন গোপন ছিল। গত বুধবার পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে হেরে তিনি সেই পরিকল্পনা প্রকাশ করতে বাধ্য হন। একই দিন স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ বেসামরিক আদালত বলেন, পার্লামেন্ট মুলতবি রাখা সংবিধান পরিপন্থী।

বিরোধীদলীয় ‘লিবারেল ডেমোক্রেটিক’ দলের ব্রেক্সিটবিষয়ক মুখপাত্র টম ব্রেক অভিযোগ করেছেন, ‘পার্লামেন্ট মুলতবি রাখা বিষয়ক সব নথি কিংবা ই-মেইল সরকার গোপন করে রাখছে। এসব নথি সামনে এলে এটা স্পষ্ট হবে যে প্রধানমন্ত্রী কেন রানিকে ভুল বুঝিয়েছেন।’

ব্রেক আরো বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, জনসন জবাবদিহি করতে চান না। আর এ কারণেই তিনি পার্লামেন্ট মুলতবি রাখার ফন্দি করেছেন।’ সূত্র : এএফপি।

রাজশাহীর সময় ডট কম -১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com