সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

নওগাঁয় পশুর চামড়া কিনে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

নওগাঁয় পশুর চামড়া কিনে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় কোরবানি পশুর চামড়া কিনে মাথায় হাত মৌসুমি ব্যবসায়ীদের। বেশি দামে চামড়া কিনে বিক্রি করতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানায়, হাটে বড় চামড়া ব্যবসায়ীরা না আসায় চামড়ার দাম কমে গেছে।

নওগাঁর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদের সভাপতি অ্যাড. আব্দুর বারি বলেন, কোরবানি পশুর চামড়ায় গরীব-মিসকিনদের হক রয়েছে। তবে চামড়ার দাম এবার কম হওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন গরীব-মিসকিনরা। আর মাঝখান থেকে লাভবান হচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা। এই ঈদে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা অনেকেই লোকসানে পড়েছেন। চামড়া কিনে বিপদে পড়তে হয়েছে তাদের। কেউ কেউ কেনা দামের চেয়ে কম দামে বিক্রি করেছেন।

এবার ঈদে নওগাঁয় গরুর চামড়া ২০০-৪৫০ টাকায় ও ছাগলের চামড়া ৫০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পাটালির মোড়ের মৌসুমি ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান জানান , ৬০ হাজার টাকার চামড়া কিনে ৫৮ হাজার টাকায় বিক্রি করছি। সারা দিন পরিশ্রম করে ২ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।

বোয়ালিয়া গ্রামের আইজার হোসেন বলেন, ছাগল কোরবানি দিয়ে হাটে চামড়া বিক্রি করতে এসেছি। ৩০ টাকায় চামড়া বিক্রি হয়েছে। গত বছর এই চামড়ার দাম ১৩০ টাকা ছিল বলে জানান তিনি।

সুলতানপুর গ্রামের মৌসুমি ব্যবসায়ী সিদ্দিক বলেন, এবার চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছি। বড় ব্যবসায়ীরা হাটে না আসায় চামড়া দাম পানির দর। ষাঁড়ের চামড়া তিনশ’ টাকা করে কিনে ২০০-২৫০ টাকা বিক্রি করতে হয়েছে।

নওগাঁ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মমতাজ হোসেন বলেন, ‘ঢাকা থেকে ট্যানারি ব্যবসায়ীরা আমাদের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। তাদের নির্ধারিত দামেই আমরা চামড়া কিনছি এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বলে দিয়েছি। আমাদের যেভাবে নির্দেষ দেওয়া হয়েছে সেভাবেই চামড়া কিনছি। দাম কম বা বেশি ঢাকায় নির্ধারণ হয়ে থাকে।

রাজশাহীর সময় ডট কম – ১৩- আগস্ট ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com