বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ষড়যন্ত্র হয় ভেতর থেকেই, প্রসঙ্গ রাবিতে ভিসি পদে সাময়িক শূণ্যতা নিয়ে মিথ্যাচার, কোর্ট নোটিশ অতঃপর… ফায়ার সার্ভিস উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট আন্তরিক; রাজশাহীতে ফায়ার ডিজি রাজশাহীর মোহনপুরে ‘মানসিক প্রতিবন্ধী’ নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার নিম্ন মানের চাল কেনার অভিযোগে রাজশাহীতে গোডাউন সিলগালা রাজশাহীতে স্কুলছাত্রী বর্ষা আত্মহত্যার ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার কর্ণেল পরিচয়ধারী প্রতারক চক্রের মূল হোতা মাহবুর গ্রেফতার, রিমান্ড শেষে কারাগারে বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে কৃষকদের এই দুরাবস্থা অবস্থা হতো না : মিনু ফুটবলকে বিদায় জানালেন জাভি হার্নান্দেজ অডিশনের জন্য অচেনা অভিনেতার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হয়েছিল অদিতিকে রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে আটক -৩৯
চিন ও দুবাইয়ে হাতি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন

চিন ও দুবাইয়ে হাতি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ ডলার উপার্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় ১০০টি হাতি চিন ও দুবাইয়ের কাছে বিক্রি করেছে জিম্বাবোয়ে ! এবং তার বিনিময়ে জিম্বাবোয়ে সরকারের রোজগার ২৭ লক্ষ মার্কিন ডলার! জিম্বাবোয়ের বন দফতর থেকে এমনই তথ্য জানা গিয়েছে সম্প্রতি। বন দফতরের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও জানিয়েছেন, হাতি বিক্রির ওই টাকা অরণ্য সংরক্ষণের কাজেই লাগানো হয়েছে।

ফারাও সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেন, “জিম্বাবোয়ের জাতীয় অভয়ারণ্যে হাতিদের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা বেশ মুশকিল হচ্ছিল। হু হু করে বাড়ছিল হাতির সংখ্যা। সেই কারণেই অন্য দেশে হাতিগুলি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছ’বছর ধরে এই বিক্রির কাজ চলেছে এবং অর্জিত টাকা দিয়ে বাকি হাতিগুলির দেখভাল করা হচ্ছে। এটা না করলে, এত হাতি বেড়ে যাওয়া নিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছিলাম আমরা। আমাদের মনে হয়, অন্য দেশে হাতি পাঠিয়ে আমরা বনসম্পদ সঠিক ভাবে কাজে লাগাচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, অরণ্যে হাতির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অরণ্যগুলোয় জলের স্তর নেমে যাচ্ছিল দ্রুত। গ্রীষ্মে জলের সঙ্কটে ওদেরও কষ্ট। সেই কারণে অনেক খরচ করে বিকল্প জলের ব্যবস্থাও করতে হচ্ছিল জিম্বাবোয়ের বন দফতরকে। সব মিলিয়ে হাতিগুলিকে অন্য কোথাও পাঠানো ছাড়া উপায় ছিল না। সে ক্ষেত্রে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, “আমাদের অরণ্যে জলের উৎস মাটির তলা থেকে। সেটা গ্রীষ্মকালে সমস্যা তৈরি করে। খরাও হয়। তখন হাতিগুলিকে সুস্থ রাখার লড়াই চালানো খুব কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। জলের বিকল্প উৎস খুঁজতে হয়রান হয়ে যাই আমরা।”

জিম্বাবোয়ের পর্যটন মন্ত্রী প্রিসকা মাপফুমিরা বলেন, “এই মুহূর্তে দেশে ৮৫ হাজারটি হাতি রয়েছে। কিন্তু আমাদের পক্ষে ৫৫ হাজারটির বেশি হাতির দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা ৯৮টি হাতি প্লেনে করে পাঠিয়েছি চিন ও দুবাইয়ে। ১৪ হাজার থেকে ৪২ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত দাম পেয়েছি এক একটির।” তিনি আরও জানান, হাতির দাঁত বিক্রির উপরে যে আন্তর্জাতিক নিষেধ রয়েছে, তা উঠিয়ে দিতে চান তাঁরা।

বন দফতরের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও বলেন, “প্রাণী বিক্রি করা নিয়ে অনেক আপত্তির মুখোমুখি হয়েছি আমরা। কিন্তু আমরা প্রাণীগুলির রক্ষণাবেক্ষণ করতে না-পেরেই বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। হাতির সংখ্যা এত বেড়েছিল, সেগুলি প্রায়ই বনভূমি ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে মানুষ মারছিল, আহত করছিল।

রাজশাহীর সময় ডট কম১৫ মে ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com