মঙ্গলবার, ২৩ Jul ২০১৯, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

মহাসচিবের তালিকায় নেই রিজভী-গয়েশ্বরের নাম, অসন্তুষ্ট নেতা-কর্মীরা

মহাসচিবের তালিকায় নেই রিজভী-গয়েশ্বরের নাম, অসন্তুষ্ট নেতা-কর্মীরা

রাজশাহীর সময় ডেস্কচলতি বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে সিনিয়র নেতা হওয়ার সত্ত্বেও মহাসচিবের তালিকায় স্থান পাননি রিজভী আহমেদ ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বলা হচ্ছে, বিএনপির আবাসিক নেতার কলঙ্ক এবং আন্দোলন-সংগ্রামে অনীহার দায়ে রিজভী আহমেদ মহাসচিবের তালিকায় স্থান করে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। অন্যদিকে সংখ্যালঘু হওয়ায় দীর্ঘদিনের রাজনীতির অভিজ্ঞতা থাকার সত্ত্বেও এই পদের প্রাথমিক তালিকায় জায়গা পাননি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

পরীক্ষিত এই দুই নেতাকে প্রাথমিক তালিকায় না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির বিভিন্ন শ্রেণির নেতৃবৃন্দ। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিএনপির নয়াপল্টন পার্টি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শেষের দিকের বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের জন্য মির্জা ফখরুল, মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাসদের মতো সিনিয়র নেতাদের আদেশ দেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শোনা গেছে, মির্জা ফখরুল আরেক দফা মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সিনিয়র নেতাদের অনেকেই সায় দিলেও বাধ সেধেছেন মওদুদ আহমেদ ও মির্জা আব্বাস। তারা প্রত্যেকেই মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সেই হিসেবে বিএনপির মহাসচিব পদে আগ্রহী বিএনপি নেতাদের নাম থাকলেও আশ্চর্যজনকভাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও রিজভী আহমেদের নাম এই তালিকায় নেই।

পরীক্ষিত দুই নেতার নাম তালিকায় না থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেন, গয়েশ্বর চন্দ্র ও রিজভী আহমেদ আমাদের তুলনায় অনেক জুনিয়র নেতা। মহাসচিব হতে গেলে শুধু প্রেস ব্রিফিং আর অভিযোগের রাজনীতি করলেই হয় না, বরং মাঠের পারফরমেন্সও থাকতে হয়। রিজভী ও গয়েশ্বরকে তো মাঠে দেখাই যায় না। তারা শুধু দিন-রাত অভিযোগ নিয়ে আছেন। এদের যেকোনো একজনকে তালিকায় রাখার অর্থ সিনিয়রদের অবজ্ঞা করা।

তিনি আরো বলেন, রিজভী তো পল্টন থেকেই বের হয় না। আর গয়েশ্বরকে নিয়ে ঝামেলা আছে। তাকে কেউ বিশ্বাস করে না। এছাড়া একজন সংখ্যালঘুর প্রতিনিধিকে বিএনপির মতো বড় দলের দায়িত্ব দেয়া ঠিক হবে না। বিএনপিকে ইসলামী ভাবধারার দলগুলোর সঙ্গে মিলেমিশে রাজনীতি করতে হয়। সুতরাং একজন সংখ্যালঘু, ভিন্ন ধর্মের নেতাকে মানতে চাইবেন না অনেকেই। তাই গয়েশ্বর ও রিজভীর মতো নেতাদের মহাসচিবের দৌড়ে না থাকা নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। সময়ের আগে দৌড়ানোর প্রচেষ্টায় কেউ সফল হয় না। সূত্র: বাংলা নিউজ ব্যাংক

রাজশাহীর সময় ডট কম – ২মার্চ, ২০১৯





© All rights reserved © 2018 rajshahirsomoy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com